খুলনায় ১১ দলীয় জোটের বিভাগীয় সমাবেশ আজ

Printed Edition

খুলনা ব্যুরো

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে খুলনার সার্কিট হাউজ ময়দানে আজ শনিবার ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ। ইতোমধ্যে এ সমাবেশ সফল করার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

আয়োজকরা বলছেন, জাতীয় নির্বাচনের পর এটা একটা বিশাল সমাবেশ হতে যাচ্ছে। রাজনৈতিক অঙ্গন, বিশেষ করে সাধারণ মানুষের মধ্যে সমাবেশ নিয়ে বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ারের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি থাকবেন সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান। আরো বক্তৃতা করবেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির শায়খুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আবদুল কাইয়ুম সোবহানী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা: মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন।

সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মোবারক হোসাইন বলেন, বিভাগীয় সমাবেশ সফল করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। খুলনা বিভাগের ১০ জেলা থেকে ১১ দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সমন্বিতভাবে কাজ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, জনগণের বিভিন্ন দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যসচিব জামায়াতে ইসলামীর খুলনা মহানগরী আমির মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে ১১ দলের নেতাকর্মীরা নগরীর বিভিন্ন এলাকায় প্রচার-প্রচারণা, সভা-সমাবেশ, লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। ১০ লক্ষাধিক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। বিভাগ জুড়ে দুই লক্ষাধিক পোস্টার ও ৫ সহস্রাধিক ফেস্টুন ঝুলানো হয়েছে । খুলনা মহানগরীর ৫টি প্রবেশদ্বারে ১৭টি তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, খুলনা সার্কিট হাউজ সমাবেশস্থল হলেও গোটা নগরীই পরিণত হবে সমাবেশস্থলে। এ জন্য নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়, ফেরিঘাট মোড়, ডাকবাংলো মোড়, হাদিস পার্ক, কাস্টম ঘাট, জেলখানা ঘাট, খুলনা সদর থানা মোড়, হাজী মহসিন রোড হয়ে টুটপাড়া কবরস্থান মোড়, কমার্স কলেজের সামনে, আহসান আহমেদ রোডসহ ২০টি স্পটে তিন শতাধিক মাইকের হর্ন লাগানো হবে।