দৃষ্টিশক্তি হারানো আলিফকে দেখতে হাসপাতালে ডা: শফিক

আমরা আর কোনো ফ্যাসিবাদের ছায়া দেখতে চাই না

Printed Edition
জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের জাতীয় সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ডা: শফিকুর রহমান  : নয়া দিগন্ত
জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের জাতীয় সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ডা: শফিকুর রহমান : নয়া দিগন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, ২০২৪-পরবর্তী বাংলাদেশে আমরা আর কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কিংবা ফ্যাসিবাদের ছায়া দেখতে চাই না। জনগণের রক্ত ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে যে ফ্যাসিবাদ বিদায় হয়েছে, সেই ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি এ দেশের মানুষ কখনো মেনে নেবে না, বরদাশতও করবে না।

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি শেষে ছাত্রদলের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে এক চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানো কিশোর আলিফ চৌধুরীকে গতকাল শুক্রবার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে দেখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে তিনি আলিফের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসকদের সাথে কথা বলে তার চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি আলিফ ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।

আলিফ চৌধুরী ছাত্রশক্তির হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলা শাখার সংগঠক এবং হোমল্যান্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। গত মঙ্গলবার হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর বুধবার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তার বাঁ চোখে অস্ত্রোপচার করা হলেও গুরুতর আঘাতের কারণে চিকিৎসকরা শেষ পর্যন্ত তার বাম চোখের দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করতে সক্ষম হননি। বর্তমানে তিনি জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হাসপাতালে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে ডা: শফিকুর রহমান এমপি বলেন, হবিগঞ্জে এনসিপির জুলাই পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হামলার ঘটনায় আমি আবার তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। তিনি বলেন, যারা এ নৃশংস হামলার সাথে জড়িত, তাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, পরিবর্তিত বাংলাদেশেও এ ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতা সংঘটিত হওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক। তিনি বলেন, আমরা দেখতে চাই সরকার এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত, তারা যেই দলেরই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করতে হবে।

তিনি বলেন, হামলার শিকার ব্যক্তিরা বিচার চাইতে গিয়ে মামলা দায়ের করতেও নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছেন। বহু চেষ্টা-তদবিরের পর মামলা গ্রহণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারের দায়িত্ব আইনের শাসন নিশ্চিত করা। কিন্তু যদি ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার পেতেই সংগ্রাম করতে হয়, তাহলে জনগণের মধ্যে আইনের প্রতি আস্থা কিভাবে তৈরি হবে?

সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার জনগণের নিরাপত্তার রক্ষক। কিন্তু যদি তারা সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণের উদ্বেগ বাড়বে। আমরা ব্যর্থতার ব্যাখ্যা শুনতে চাই না; আমরা বাস্তব পদক্ষেপ দেখতে চাই। সরকারকে কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করতে হবে যে এই দেশ সব নাগরিকের এবং আইন সবার জন্য সমান।

তিনি সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের একজন মন্ত্রীর দুর্নীতি ও প্রশাসনিক পরিস্থিতি নিয়ে দেয়া মন্তব্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, যদি সরকারের ভেতর থেকেই বলা হয় যে দুর্নীতি বেড়েছে এবং কাক্সিক্ষত পরিবর্তন হয়নি, তাহলে জনগণের স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে- এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে কিভাবে? জনগণ অজুহাত নয়, কার্যকর ব্যবস্থা প্রত্যাশা করে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে ডা: শফিকুর রহমান বলেন, হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দেয়া হয়েছে। অথচ মতপ্রকাশ ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

আহত আলিফের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এই ছেলেটি কাউকে আক্রমণ করতে যায়নি। বরং সঙ্ঘাত এড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে নিজেই নির্মম হামলার শিকার হয়েছে। তার একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি হারাতে হয়েছে। এটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক, নিন্দনীয় এবং কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

তিনি বলেন, আমরা একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ দেখতে চাই, যেখানে রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারণে কারো ওপর হামলা হবে না। এখন পুরো জাতি অপেক্ষা করছে- সরকার এই ঘটনার সাথে জড়িত দলীয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, শেরেবাংলা নগর উত্তর থানা আমির আব্দুল আউয়াল আজম, ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ) নেতা ডা: হাসান আল বান্না, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন এবং যুগ্মসদস্যসচিব এস এম সাইফ মোস্তাফিজ উপস্থিত ছিলেন।

পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলন : ‘২৪-এর জুলাইয়ের বিজয় জনগণের, কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা: শফিকুর রহমান এমপি। ২০২৪ সালের ৩১ জুলাই ছিল দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেদিন সরকার জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যা পরে একদিন পিছিয়ে ১ আগস্ট কার্যকর করা হয়। সরকারের ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, যেহেতু সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছে, তাই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের সেই আহ্বানের মাত্র তিন দিনের মাথায় তারা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। ১ আগস্ট তারা আমাদের নিষিদ্ধ করেছিল, আর ৫ আগস্ট রান্না করা খাবারও খেতে পারেনি। আল্লাহ তায়ালা তাদের কপালে সেই খাবারও রাখেননি। তারা ভেবেছিল, আগের বছরের মতো এবারো অত্যাচার করে পার পেয়ে যাবে, ফ্যাসিবাদী কায়দায় আন্দোলন দমন করবে। কিন্তু জমিনের মালিক আল্লাহ। তাঁর ফয়সালার বিরুদ্ধে গিয়ে কোনো শক্তিই টিকে থাকতে পারে না।

গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। ফেডারেশনের সভাপতি কবির আহমদের সভাপতিত্বে এবং এস এম আতিকুর রহমানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান, ঢাকসু পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী ও মুজিবুর রহমান ভুঁইয়া, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লসকর মো: তসলিম, পরিবহন ফেডারেশনের সহসভাপতি লোকমান আহমদ, ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ড. সারোয়ার ছিদ্দিকী প্রমুখ।

ডা: শফিকুর রহমান বলেন, মানুষ সেদিন মুখে মুখে বলেছে, আল্লাহ তায়ালা যেন আবাবিল পাখির মতো সাহায্য পাঠান। আল্লাহ চাইলে ক্ষুদ্র শক্তিকেও বিজয়ী করতে পারেন এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বাহিনীকেও পরাজিত করতে পারেন। ইতিহাসে এমন ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে, কিন্তু স্বৈরাচারীরা কখনোই সেখান থেকে শিক্ষা নেয় না।

জামায়াত আমির বলেন, আন্দোলনের সময় একদিকে ছিল সশস্ত্র সরকারি বাহিনী ও সরকারদলীয় সন্ত্রাসীরা, অন্য দিকে নিরস্ত্র মানুষ ঈমান ও দেশপ্রেমের স্লোগান নিয়ে রাজপথে নেমেছিল। আল্লাহ সেই ঈমান ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো মানুষকেই বিজয় দিয়েছেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শ্রমিকদের আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতিসঙ্ঘের হিসাব অনুযায়ী এক হাজার ৪০০ শহীদের পেশাগত পরিচয় বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সর্বাধিক শহীদ শ্রমিক সমাজের। এরপর ছাত্র এবং তারপর সাধারণ মানুষের অবস্থান। তিনি বলেন, শ্রমিকরা কোনো কোটা পাওয়ার জন্য আন্দোলন করেনি; তারা বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়েছে। তারা চেয়েছিল সম্মানজনকভাবে পরিবার-পরিজন নিয়ে দু’মুঠো ভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে।

চাঁদাবাজির প্রসঙ্গে এক মন্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘সমঝোতার মধ্যে নিলে চাঁদা বলা যাবে না’- এ ধরনের বক্তব্য চাঁদাবাজিকে বৈধতা দেয়ার শামিল। তিনি আরো বলেন, একজন হুইপ বলেছেন, ‘বিদেশ থেকে কেউ এসে দেশ চালালেও চাঁদাবাজি বন্ধ করা যাবে না।’ ডা: শফিকুর রহমানের ভাষায়, যদি এমন বক্তব্যই সত্য হয়, তবে তা চাঁদাবাজির একটি বৈধ কাঠামো দাঁড় করানোর শামিল।

তিনি আরো বলেন, দেড় কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে বাসস্ট্যান্ড, ট্রাকস্ট্যান্ড, সিএনজি স্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজির মাধ্যমে যে অবৈধ উপার্জনের ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে, সেটাকেই যেন চাকরি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। জনগণ এমন চাকরি চায় না; জনগণ এই চাঁদাবাজিকে ঘৃণা করে।

সরকারের দুর্নীতি ও ব্যর্থতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকারের একজন নেতা নিজেই স্বীকার করেছেন যে গত পাঁচ মাসে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়নি এবং দুর্নীতি বেড়েছে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, যদি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই সবকিছু পরিচালিত হয়, তাহলে দুর্নীতিবাজরা তার আশপাশে কিভাবে অবস্থান করে? দুর্নীতি বন্ধ হয় না কেন? যখন নিজেরাই ব্যর্থতার কথা স্বীকার করছেন, তখন ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার কোথায়? বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ১২ দফা দাবির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব দাবি আদায়ের জন্য আন্দোলন করতে হওয়াই দুঃখজনক। এগুলো তো শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার হওয়া উচিত ছিল। অথচ অধিকার প্রতিষ্ঠার বদলে আজ অধিকার নিয়েই টানাটানি চলছে।

তিনি বলেন, চাঁদাবাজদের হাতে পরিবহনশ্রমিকরা সর্বত্র নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মারধর, হামলা, এমনকি যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটছে। তিনি বলেন, এই অপকর্ম যারা করছে, তাদের বিরুদ্ধে সরকারকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, জুলাইয়ের দাবিদার কোনো ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠী নয়; জুলাইয়ের দাবিদার বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ। কেউ এককভাবে এই আন্দোলনের কৃতিত্ব দাবি করতে পারে না। শহীদরা কোনো দলের সম্পত্তি নন; তারা জাতির সম্পদ। জুলাই শহীদ ও আহত পরিবারের যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার তাদের প্রাপ্য সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে দাবি জানাই, জুলাই শহীদ ও জুলাই-সন্তানদের মর্যাদা ও প্রাপ্য রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে। শহীদ পরিবারকে সম্মান দিলে ভবিষ্যতেও এই দেশের মাটিতে সাহসী সন্তান জন্ম নেবে। তিনি বলেন, আমরা কোনো আধিপত্যবাদী শক্তির কাছে মাথা নত করব না। বাংলাদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। রুখে দাঁড়াতে হবে, কারণ মাথা নত করলে সব শেষ হয়ে যাবে। আমরা হারব না, ইনশাআল্লাহ জয়ী হবো।

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ৭০ শতাংশ মানুষের গণরায়কে নিজেদের গণতান্ত্রিক দল দাবি করলে সেই রায় অবশ্যই মেনে নিতে হবে। জনগণের রায় অমান্য করা মানেই জনগণকে অসম্মান করা।