জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেছেন, নির্বাচনের আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় গিয়েও যারা তা বাস্তবায়ন করেনি, তারাই সবচেয়ে বড় প্রতারক।
তিনি গতকাল শনিবার রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের রহিম মেটাল মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ আব্দুল জব্বার ও জাহিদ হাসানের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার, তেজগাঁও উত্তর থানা আমির আহসান উল্লাহ ও সেক্রেটারি রাসিবুল হক নাসিফ প্রমুখ।
সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরগতিতে এগোচ্ছে। তিনি এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কোনো একক দলের আন্দোলন ছিল না; এটি ছিল সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে সংঘটিত একটি গণ-আন্দোলন। স্বৈরশাসনের অবসান, ন্যায়বিচার ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা থেকেই মানুষ আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল। কিন্তু এখনো সেই মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
তিনি আরো বলেন, গণভোট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও সরকার নানা ধরনের টালবাহানা করছে। এর মাধ্যমে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের মতামতকে উপেক্ষা করা হয়েছে। যারা আগে জুলাই সনদকে প্রতারণা বলেছিল, তারাও নির্বাচনের আগে জনগণের সামনে এ সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করে এখন প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আবারো রাজপথে আন্দোলনে নামবে বলেও জানান সাইফুল আলম খান মিলন।
এ সময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের প্রচার সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার বলেন, জুলাই গণহত্যার সাথে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ দুই ব্যক্তির বাবাসহ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এরপর শহীদের বাসায় গিয়ে তাদের পরিবারের সার্বিক খোঁজখবর নেন এমপি সাইফুল আলম খান মিলন। বিজ্ঞপ্তি।



