বর্তমানে সব বয়সের মানুষই কাঁধের ব্যথায় ভুগছেন। অনেকেই ভাবেন হয়তো ঘুমের সমস্যা বা কয়েক দিনে ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু দীর্ঘদিন অবহেলা করলে ব্যথা জটিল সমস্যায় রূপ নিতে পারে।
ব্যথার সাধারণ কারণ
মাংসপেশি ও টেনডনের প্রদাহ : হাত বারবার মাথার ওপরে তোলা, ভারী জিনিস বহন, দীর্ঘ সময় কাজ করা বা বয়সজনিত ক্ষয়ের কারণে কাঁধের টেনডনে প্রদাহ হতে পারে।
ফ্রোজেন শোল্ডার : ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে খুব বেশি দেখা যায়। এতে কাঁধ ধীরে ধীরে শক্ত হয়ে যায় এবং হাত নাড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে।
সারভাইকাল স্পন্ডেইলাইটিস : অনেক সময় ঘাড়ের স্নায়ুর সমস্যা থেকে কাঁধে ব্যথা ছড়িয়ে আসে।
ভুল ভঙ্গিতে কাজ করা : দীর্ঘ সময় মুঠোফোন দেখা, ল্যাপটপে ঝুঁকে বসা, এক কাঁধে ভারী ব্যাগ বহন-এসব কারণেও ব্যথা হতে পারে।
কী কী লক্ষণ দেখা যায়
কাঁধে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া অনুভব; হাত ওপরে তুলতে কষ্ট হওয়া; জামা পরতে বা চুল আঁচড়াতে সমস্যা; রাতে ব্যথা বেড়ে যাওয়া; কাঁধ শক্ত হয়ে যাওয়া; দুর্বল লাগা বা হাত ভারী মনে হওয়া।
প্রতিকার ও প্রাথমিক করণীয়
ভারী কাজ কমিয়ে দিন; ব্যথা বাড়ায় এমন কাজ কিছুদিন এড়িয়ে চলুন; খুব বেশি বিশ্রামও নয়, আবার অতিরিক্ত ব্যবহারও নয়; প্রথম দিকে বরফ সেঁক উপকারী হতে পারে; দীর্ঘদিনের শক্তভাব থাকলে গরম সেঁক আরাম দেয়; সঠিক ভঙ্গিতে বসা ও কাজ করা জরুরি।
অনেকে ব্যথা হলেই হাত একদম নাড়ানো বন্ধ করে দেন। এতে উল্টো কাঁধ আরো শক্ত হয়ে যেতে পারে। ইন্টারনেট।



