কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সির মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার অভিযোগে ৯ পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়।
ভাইভা দিতে এসে জালিয়াতি ধরা পড়ায় গতকাল দুপুরে তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- হোসেনপুর উপজেলার মো: জালাল উদ্দিনের ছেলে মো: নিজাম উদ্দিন, পাকুন্দিয়া উপজেলার রজব আলীর ছেলে পিয়াস, হোসেনপুর উপজেলার সেলিমের ছেলে সাব্বির, পাকুন্দিয়া উপজেলার মোস্তফার ছেলে মেহেদী, মিঠামইন উপজেলার আবুল কালামের ছেলে শফিকুল, ইটনা উপজেলার রবি হোসেনের ছেলে নজরুল, তাড়াইল উপজেলার জিলু মিয়ার ছেলে জসিম, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার শফিকুল ইসলামের মেয়ে রাহিমা আক্তার, তাড়াইল উপজেলার দুলাল মিয়ার ছেলে ফয়সাল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভাইভা বোর্ডে আসার পর সব পরীক্ষার্থীদের মতো তাদের লেখার সাথে লিখিত পরীক্ষার খাতার লেখা মিলিয়ে দেখা হয়। হাতের লেখায় অমিল থাকায় সন্দেহ তৈরি হলে জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেন, তারা নিজেরা পরীক্ষা দেননি। অন্যদের মাধ্যমে প্রক্সি দিয়ে পরীক্ষায় পাস করেছেন।
জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো: সুফি সাজ্জাদ আল ফোজায়েল, রাহুল ঘোষ পলাশ, আমিন অর রশিদ, মশিউর রহমান, রিয়াদ হোসেন তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৯ জনকে কারাদণ্ড প্রদান করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নিয়োগ ও বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান বলেন, তাদের হাতের লিখা যাচাই করার সময় তারা স্বীকার করে প্রক্সির মাধ্যমে তারা লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। পরে তাদের ১৫ দিনের করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। সব তথ্য পুলিশ ও গোয়েন্দাদের দেয়া হয়েছে এই কাজের সাথে কারা জড়িত খুঁজে বের করার জন্য। এটার শেকড় কোথায় কে বা কারা জড়িত সব বের করা হবে।
গত ২০ ফেব্র“য়ারি লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। রাজস্ব প্রশাসনের অধীনে ২০তম গ্রেডের অফিস সহায়ক ৫৫টি, নিরাপত্তা প্রহরী তিনটি এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মী একটিসহ মোট ৫৯টি শূন্য পদে জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে এ পরীক্ষা নেয়া হয়। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ২২ ফেব্র“য়ারি প্রকাশিত হয়।



