পীরগঞ্জ (রংপুর) সংবাদদাতা
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমান জিয়ার বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ এবং স্ত্রীর স্বীকৃতি না দেয়ার অভিযোগ তুলেছেন বিধবা শারমিন আক্তার সুমি। এ দাবিতে গত ১৮ জুন পীরগঞ্জ উপজেলা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সুমি অভিযোগ করেন, তার স্বামী আতিয়ার রহমান ২০২৪ সালের ১০ জুলাই মারা যাওয়ার পর দুই মেয়েকে নিয়ে তিনি স্বামীর বাড়িতে বসবাস করছিলেন। এ সময় প্রতিবেশী ও ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান জিয়া তার সাথে যোগাযোগ শুরু করেন। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
সুমির দাবি, স্থানীয় এক কওমি মাদরাসার হাফেজের মাধ্যমে ২০ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। পরে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না থাকায় কাজির মাধ্যমে নিবন্ধন সম্ভব না হওয়ায় গাইবান্ধা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে ১০০ টাকার তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে এফিডেভিট করা হয়।
এ ঘটনায় গত ২ জুন পীরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান সুমি। তিনি প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মানবাধিকার সংগঠনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অভিযুক্ত জিয়াউর রহমান জিয়ার সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। উল্লেখ্য, অভিযোগগুলোর বিষয়ে এখনো প্রশাসনিক বা আদালতের চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।



