চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) সংবাদদাতা
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্মতারিখ ১০ বছর কমিয়ে কাশিনগর ডিগ্রি কলেজে অফিস সহায়ক পদে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে আবুল কালামের বিরুদ্ধে। একই সাথে চাকরির কাগজপত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও ভিন্ন তথ্য দেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
আবুল কালাম উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের হিলালনগর গ্রামের মৃত সোনা মিয়ার ছেলে। সংশ্লিষ্ট নথি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি কাশিনগর বিএম হাইস্কুল থেকে ১৯৯৪ সালে মানবিক বিভাগে এসএসসি পাস করেন। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সনদে তার জন্মতারিখ ২৫ মে ১৯৭৮ উল্লেখ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২২ সালে কাশিনগর ডিগ্রি কলেজের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের সময় আবুল কালাম নিজেকে অষ্টম শ্রেণী পাস এবং জন্ম সাল ১৯৮৮ উল্লেখ করে কাগজপত্র দাখিল করেন। একই বছর ১৯ অক্টোবর নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে অষ্টম শ্রেণী পাস দেখিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের বয়স সংশোধনের আবেদন করেন। আবেদনটি প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর ২০২৩ সালের ২২ জুন চতুর্থ শ্রেণী পাস দেখিয়ে আবার হলফনামা করেন। পরে তার জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্মতারিখ ২৫ মে ১৯৮৮ হিসেবে সংশোধন করা হয়।
নথি পর্যালোচনায় আরো দেখা যায়, ১৯৯৪ সালে এসএসসি পাস করা আবুল কালামের নিবন্ধন নম্বর ০৩২৪০০ এবং সনদ নম্বর ৫৪০৮৪৩। ফলে তার এসএসসি সনদ ও পরবর্তী চাকরির কাগজপত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা ও জন্মতারিখে অসঙ্গতি রয়েছে।



