খুলনা ব্যুরো
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান অধ্যাপক ড. রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এরপর বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে এবং ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে।
ছাত্রীর লিখিত অভিযোগে বলা হয়, শুরুতে ওই শিক্ষক তার সাথে ভালো আচরণ করলেও ধীরে ধীরে মেসেঞ্জারে ও হোয়াটসঅ্যাপে নানা ধরনের কুরুচিপূর্ণ ও অস্বস্তিকর বার্তা পাঠাতে শুরু করেন। একপর্যায়ে আমি বিষয়টি আর সহ্য করতে না পেরে সহপাঠী ও ডিসিপ্লিনের প্রতিনিধিদের জানাই। প্রথমদিকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না দেখলেও, পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।
এ ব্যাপারে বিশ^বিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্রের সভাপতি অধ্যাপক মোছা: তাসলিমা খাতুন বলেন, একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এরই মধ্যে কমিটির সদস্যরা কাজ শুরু করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি অধ্যাপক ড. মো: হারুনুর রশিদ খান বলেন, অধ্যাপক ড. রেজাউল ইসলামকে ডিসিপ্লিন প্রধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদানসহ চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনা তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।



