যুদ্ধবিরতি নস্যাতে গাজায় ‘হলুদ রেখা’ সম্প্রসারণ ইসরাইলের

Printed Edition
প্যারিসে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনি নাগরিক সমাজের একটি সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের সমর্থনে সমাবেশ করেন : ইন্টারনেট
প্যারিসে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনি নাগরিক সমাজের একটি সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের সমর্থনে সমাবেশ করেন : ইন্টারনেট

টিআরটি ও মিডলইস্ট মনিটর

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার আলোচনা নস্যাৎ করতে নতুন চক্রান্ত শুরু করেছে ইসরাইল। গাজা সিটির ভেতরে পূর্বনির্ধারিত ‘হলুদ রেখা’ (ইয়োলো লাইন) পশ্চিম দিকে আরো সম্প্রসারণ এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে ইসরাইলি সেনাবাহিনী যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে পুরোপুরি উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে প্রতিরোধ যোদ্ধা দল হামাস। কায়রোতে যখন মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতিতে যুদ্ধবিরতির অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই মাঠপর্যায়ে এই উসকানিমূলক আগ্রাসন চালাচ্ছে তেলআবিব।

হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেন, গাজা সিটির পূর্ব তুফাহ এলাকাসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলে গত এক সপ্তাহে হলুদ রেখার ব্লকগুলো আনুমানিক ৩০০ মিটার পশ্চিমে সরিয়ে নিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। এই ‘হলুদ রেখা’ মূলত মার্কিন শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপের অধীনে নির্ধারিত একটি বিভাজন রেখা, যেখানে ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী ইসরাইলি সেনাদের অবস্থান করার কথা ছিল।

তবে শুরু থেকেই তেলআবিব এই চুক্তি লঙ্ঘন করে আসছে এবং রেখা অতিক্রমের অজুহাতে এ পর্যন্ত বহু ফিলিস্তিনিকে হত্যা ও আহত করেছে। হামাস মুখপাত্র এই ঘটনাকে যুদ্ধবিরতির চরম লঙ্ঘন উল্লেখ করে বলেন, এটি ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধে চুক্তি বাস্তবায়নকারী জিম্মাদার দেশ এবং আন্তর্জাতিক শান্তি কাউন্সিলের ব্যর্থতাকে উন্মোচন করেছে। এর আগে গত ১৫ মে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্বীকার করেছিলেন যে, গাজার ৬০ শতাংশ এলাকা এখন তাদের দখলে এবং এটি ৭০ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।