রয়টার্স
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সবচেয়ে জোরালো বিমান হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। এতে অন্তত ৯ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। ধ্বংসাত্মক এই হামলায় দেশটির অন্যতম প্রধান আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন ‘কিয়েভ পেচেরস্ক লাভরা’ আশ্রমে ভয়াবহ আগুন লেগে যায়।
চলমান সঙ্ঘাতের অবসান ঘটাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেন ও রাশিয়ার শীর্ষ নেতাদের সাথে টেলিফোনে বিশেষ আলোচনা করার মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মস্কো কিয়েভে এই বড় ধরনের পাল্টা আঘাত হানল। এর আগে অবশ্য ইউক্রেনীয় বাহিনীর পক্ষ থেকে রাশিয়ার জ্বালানি ও সামরিক খাতের প্রধান প্রধান অবকাঠামো লক্ষ্য করে দূরপাল্লার নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করা হয়েছিল। গত রোববার ইউক্রেনের সেনারা রাশিয়ার ইয়ারোস্লাভ অঞ্চলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জ্বালানি তেল স্থাপনায় সফলভাবে আঘাত হানে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানান, ওই স্থাপনাটি মস্কোর জ্বালানি মজুদব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত জরুরি ছিল। একই সাথে তিনি রাশিয়ার বিস্ফোরক তৈরির অন্যতম মূল কেন্দ্র তুলা অঞ্চলের আজট রাসায়নিক কারখানাতেও সফল ড্রোন হামলার কথা উল্লেখ করেন।
রাশিয়া তাদের অভ্যন্তরে ইউক্রেনীয় হামলার বিষয়টি আংশিকভাবে স্বীকার করেছে। ইয়ারোস্লাভ অঞ্চলের গভর্নর জানান, ইউক্রেনের ব্যাপক ড্রোন হামলায় তাদের একটি শিল্প খাতের জ্বালানি সংরক্ষণাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং নিরাপত্তার কারণে মস্কোগামী সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।



