নয়া দিগন্ত ডেস্ক
সড়ক দুর্ঘটনায় নওগাঁয় প্রাইভেটকার আরোহী দু’জন এবং যশোরের শার্শায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।
নওগাঁ প্রতিনিধি জানান, নওগাঁয় সড়ক দুঘটনায় মতিউর রহমান (৪৫) ও নাজমুল হক (৪৭) নামে দুইজন নিহত হয়েছেন। গত রোববার রাত সাড়ে ১০টার সময় জেলার পতœীতলা উপজেলার আমবাটী ডাবল ব্রিজ এলাকায় প্রাইভেটকারের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এ দুঘটনা ঘটে। নিহত মতিউর রহমান জেলার মান্দা উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের শরিফ উদ্দীনের ছেলে এবং নাজমুল হক একই গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মতিউর রহমান ও নাজমুল হক একটি প্রাইভেটকারে করে দিনাজপুর জেলার হিলির উদ্দশে যাচ্ছিলেন। প্রাইভেট কারটি নজিপুর-ধামুইরহাট আঞ্চলিক মহাসড়কের আমবাটী ডাবল ব্রিজ এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজের রেলিংয়ের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে প্রাইভেটকারটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় ও মতিউর ও নাজমুল কারের মধ্যে আটকা পড়েন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে পতœীতলা উপজেলা সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক দুইজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
বেনাপোল (যশোর) সংবাদদাতা জানান, যশোরের শার্শা উপজেলার নাভারন-সাতক্ষীরা মহাসড়কে গতকাল সকালে কাভার্ডভ্যান ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন- শার্শা উপজেলার উলাশী গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে শাহিন হোসেন (৩৫) ও আতিয়ার রহমান গাইনের ছেলে তোফাজ্জেল হোসেন (৪৫)।
যশোরের নাভারন হাইওয়ে থানার ওসি গোপাল কর্মকার বলেন, সোমবার সকালে শাহিন হোসেন নিজের ক্ষেতের কাঁচামরিচ বিক্রির জন্য তোফাজ্জেল হোসেনের মোটরসাইকেলে করে নাভারন বাজারে যাচ্ছিলেন। নাভারন-সাতক্ষীরা মহাসড়কের গিলাপোল এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা সাতক্ষীরাগামী একটি কাভার্ডভ্যান (ট্রাক) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলটিকে সামনা সামনি ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই শাহিন ও তোফাজ্জেল মারা যায়।
দুর্ঘটনার পরপরই চালক ও তার সহকারী কাভার্ডভ্যান ফেলে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।



