পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি টেকসই উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি :পরিবেশমন্ত্রী

Printed Edition

একবিংশ শতাব্দীর টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পরিবেশবান্ধব অর্থনীতিই মূল চালিকাশক্তি বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আওয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, সর্বনিম্ন কার্বন নিঃসরণ, সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমেই টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব।

বুধবার পরিবেশ অধিদফতরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০২৬’-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতি ছিলেন পরিবেশ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মো: লুৎফর রহমান।

পরিবেশমন্ত্রী জানান, দীর্ঘমেয়াদে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (এনএপি) ২০২৩-৫০ প্রণয়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্য নিয়ে জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি ৩.০) দাখিল করা হয়েছে। এ ছাড়া শিল্পদূষণ, শব্দদূষণ, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষতিকর পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় সরকারের অভিযোজন ও প্রশমন নীতিগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

‘জলবায়ু পরিবর্তন : আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’ প্রতিপাদ্যে গত ৯ জুলাই শুরু হওয়া এই আয়োজনের সমাপনী দিনে বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় ১২ জন শিশু-কিশোরকে প্রাইজবন্ড, সনদ ও ক্রেস্ট দেয়া হয়। ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রানার্সআপ হয়। পরিবেশবিষয়ক প্রকল্প প্রস্তাব প্রতিযোগিতায় তিনজন বিজয়ীকে নগদ অর্থ দেয়া হয় এবং পরিবেশ মেলায় অংশ নেয়া শ্রেষ্ঠ সাতটি প্রতিষ্ঠানকে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়। বিজ্ঞপ্তি।