নবীন চন্দ্র সরকারি উচ্চবিদ্যালয়

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

Printed Edition

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার ১১৭ বছরের ঐতিহ্যবাহী নবীন চন্দ্র সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমির হোসেনের বিরুদ্ধে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি, এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের প্রশংসাপত্র প্রদানসহ বিভিন্ন বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে এক অভিভাবক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সরকারি ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী সহোদর কোটায় ভর্তির সুযোগ থাকা সত্ত্বেও এক শিক্ষার্থীকে ভর্তি না নিয়ে তার অভিভাবকের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়। একই সাথে নির্ধারিত আসনের চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি, নীতিমালার বাইরে ভর্তি, এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রশংসাপত্র বাবদ ৫০০ টাকা আদায়, বিদ্যালয়ের ক্যানটিন ও দোকানঘর পরিচালনায় অনিয়ম এবং খণ্ডকালীন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগে বেশ কয়েকটি অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান ও তদারকিতে ঘাটতি এবং শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণেরও অভিযোগ রয়েছে।

তবে প্রধান শিক্ষক মো: আমির হোসেন এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, রেলওয়েতে কর্মরত এক কর্মকর্তার সন্তানকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ভর্তি নেয়া হয়েছে। সহোদর কোটার আবেদনটি প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতির কারণে তখন বিবেচনা করা সম্ভব হয়নি। প্রশংসাপত্রের অতিরিক্ত অর্থ খণ্ডকালীন শিক্ষক ও কর্মচারীদের সম্মানী বাবদ ব্যয় করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার বলেন, সহোদর কোটায় ভর্তিসংক্রান্ত একটি লিখিত আবেদন তিনি পেয়েছেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।