ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের বার্ষিক সামরিক মহড়া শুরু

Printed Edition

এএফপি

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো এবং ‘আগ্রাসন প্রতিহত করার’ লক্ষ্য নিয়ে ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের এক ডজনের বেশি মিত্র দেশ গতকাল সোমবার বার্ষিক যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে।

ইন্দোনেশিয়া নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে। দেশটি নিজেদের এই নীতিকে ‘স্বাধীন ও সক্রিয়’ বলে বর্ণনা করে। একই সাথে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে দেশটি কূটনৈতিকভাবে ভারসাম্য রক্ষা করে চলছে। চলতি মাসে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটি চীনের সাথে যৌথ নৌ মহড়ায় অংশ নেয়। তাইওয়ান ওই মহড়াকে ‘উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড’ বলে সমালোচনা করে।

ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও কয়েকটি মিত্র দেশ প্রায় দুই দশক ধরে ‘সুপার গারুদা শিল্ড’ নামে পরিচিত এই বার্ষিক সামরিক মহড়ায় অংশ নিয়ে আসছে। এবারের মহড়ায় যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় চার হাজার ৭০০ সেনাসদস্য অংশ নিচ্ছেন। সুমাত্রা ও বোর্নিও দ্বীপসহ ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন স্থানে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই মহড়া চলবে। পূর্ব তিমুর, ইতালি, থাইল্যান্ডসহ কয়েকটি দেশ মহড়ায় পর্যবেক্ষক পাঠিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ পদাতিক ডিভিশনের কমান্ডার প্যাট্রিক জে এলিস বলেন, এই মহড়া ‘ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলকে নিরাপদ রাখার জন্য প্রয়োজনীয় মানবিক ও সামরিক সহযোগিতার কাঠামো গড়ে তুলতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ জাকার্তার পূর্বাঞ্চলের বান্দুং শহরের একটি সামরিক স্কুলে মহড়ার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।