আনাদোলু এজেন্সি
ইউক্রেনের আরো দু’টি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল দখলের দাবি করেছে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইউক্রেনের খারকোভ ও দোনেৎস্কের দু’টি বসতির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তারা।
রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাইডেড বোমা, ড্রোন ও কিনঝাল মিসাইল ছুঁড়েছে সেনারা। ধ্বংস করেছে ইউক্রেনের যোগাযোগ ও সামরিক অবকাঠামো এবং জ্বালানি ডিপো। দনেস্কের দিমিত্রোভ এলাকায় ইউক্রেনীয় বাহিনীকে ঘিরে ফেলেছে বলেও দাবি করেছে। অপর দিকে, গ্রিশিনো এলাকা থেকে পিছু হটেছে ইউক্রেনীয় সেনারা। যদিও পুতিন বাহিনীর কাছে নতুন করে ভূখণ্ড হারানোর কথা স্বীকার করেনি কিয়েভ। প্রতিরক্ষা লাইনে লড়াই অব্যাহত রয়েছে বলে দাবি করেছে তারা। ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড জানিয়েছে, পোক্রোভোস্কে রুশ সেনাদের লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে তারা। মিরনোরাদ থেকে পিছু হটেছে রুশ সেনারা। খারকিভের একটি বাধ ঘিরেও রুশ সেনারা আটকা পড়েছে বলে দাবি কিয়েভের। এ দিকে, রাশিয়া-ইউক্রেন সঙ্ঘাত নিরসনে একটি শান্তি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছানো গেছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এ চুক্তির ভিত্তি হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যে প্রস্তাবটিকে ধরা হচ্ছে, তাতে বড় পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে মস্কো।
ইউরোপীয় মিত্রদের সাথে বৈঠকে অংশ নিতে লন্ডনে জেলেনস্কি
এ দিকে শান্তি প্রতিষ্ঠায় রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে মার্কিন প্রস্তাবটি না পড়ার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগের পর ইউরোপীয় মিত্রদের সাথে বৈঠক করতে লন্ডনে গেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি।
গতকাল সোমবার রয়টার্সের এক খবরে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ফ্লোরিডায় তিন দিনের আলোচনার পর উচ্চ পর্যায়ের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে জেলেনস্কির প্রধান আলোচক ক্রেমলিনের দাবি মেনে নেয়ার জন্য ব্যাপকভাবে বিবেচিত হোয়াইট হাউস পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনার জন্য জোর দেন। জেলেনস্কি জানিয়েছেন, তিনি মায়ামিতে আলোচনার সময় মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সাথে ‘অত্যন্ত বাস্তবসম্মত এবং গঠনমূলক’ আলোচনায় তার আলোচকদের সাথে যোগ দিয়েছিলেন।



