গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি
গাজীপুর মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তার একটি আবাসিক হোটেলে পোশাকশ্রমিক শান্তা বেগম (৩৩) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় নিহতের সাবেক স্বামী সাইফুল ইসলামকে (৩৮) গ্রেফতার করা হয়েছে। পিবিআই জানায়, আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।
গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পিবিআই গাজীপুর জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার রকিবুল আক্তার জানান, আসামির জবানবন্দী অনুযায়ী, হত্যার আগে সাইফুল ফল কাটার কথা বলে শান্তাকে একটি ছুরি কিনে আনতে বলেন। ছুরিটি দিয়েই পরে তাকে হত্যা করা হয় বলে তিনি স্বীকার করেছেন।
পুলিশ জানায়, গত ২১ জুলাই দুপুরে শান্তা এক ব্যক্তির সাথে চান্দনা চৌরাস্তার একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন। হোটেলের নিবন্ধনে তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ভুয়া নাম-ঠিকানা ব্যবহার করেন। পরে ওই ব্যক্তি খাবার আনার কথা বলে বেরিয়ে যান। দীর্ঘ সময় ফিরে না আসায় হোটেলকর্মীরা কক্ষে গিয়ে শান্তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
তদন্তে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকার ফায়দাবাদ থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পিবিআই।
পিবিআই জানায়, শান্তার প্রথম সংসার ভেঙে যাওয়ার পর প্রায় তিন বছর আগে সাইফুলকে বিয়ে করেন তিনি। পারিবারিক কলহের জেরে কয়েক মাস আগে তাদের বিচ্ছেদ হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা শহিদুল ইসলাম বাদি হয়ে বাসন থানায় হত্যা মামলা করেছেন। মামলাটি তদন্ত করছে পিবিআই।



