ঝালকাঠির মেঘনা ডিপোতে গ্যাসবাণিজ্যের অভিযোগ

Printed Edition

আতিকুর রহমান ঝালকাঠি

ঝালকাঠির মেঘনা এলপিজি ডিপোতে সরকারি বরাদ্দের গ্যাস ও সিলিন্ডার বিতরণে অনিয়ম, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাণিজ্য এবং অস্বাভাবিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ডিপোর মাস্টাররোলভুক্ত শ্রমিক শিবু চন্দ্র শীল। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণাঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ এই ডিপো থেকে প্রতি মাসে শত শত গ্যাস সিলিন্ডার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, সরকারি বরাদ্দের বড় একটি অংশ সেনা, নৌ, বিমান ও কোস্ট গার্ডের নামে বরাদ্দ দেখিয়ে স্থানীয় বাজারে সঙ্কট সৃষ্টি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ডিপোতে কর্মরত শিবু চন্দ্র শীল গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডারের হিসাব ও সরবরাহ কার্যক্রমে প্রভাব বিস্তার করছেন। স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের দাবি, তার স্বজনদের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস বিক্রি করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।

কয়েক মাস আগে ডিপোর কিছু সিলিন্ডার বাতিল ও পরে তা পুনর্বহালের ঘটনাকে ঘিরেও প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, ওই সিলিন্ডারগুলোর একটি অংশ নির্ধারিত গ্রাহকদের কাছে না গিয়ে অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগেরও স্বাধীনভাবে সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে শিবু চন্দ্র শীল বলেন, তিনি কোনো অনিয়ম বা অবৈধ গ্যাস বাণিজ্যের সাথে জড়িত নন। স্বরূপকাঠিতে তার ভগ্নিপতির দোকানে অন্যের লাইসেন্সে গ্যাস বিক্রি হয় বলে তিনি স্বীকার করলেও ডিপো থেকে অবৈধভাবে গ্যাস সরবরাহের অভিযোগ অস্বীকার করেন।

মেঘনা ডিপোর সুপার শাহীন আলম বলেন, প্রতি মাসে চট্টগ্রাম থেকে গ্যাস সিলিন্ডার আসে এবং সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ অনুযায়ী বিভিন্ন সংস্থা ও ডিলারদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। কোনো অনিয়মের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।