এবিসি নিউজ
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে দৈনিক প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল তেল রফতানি অব্যাহত রয়েছে, যার বড় একটি অংশ যাচ্ছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে।
এবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য নিশ্চিত করেন মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট। তিনি জানান, সঙ্ঘাতময় পরিস্থিতির মধ্যেও সমুদ্রপথটিতে জাহাজ চলাচল সচল রয়েছে। ক্রিস রাইট উল্লেখ করেন, সাত দিনের গড় হিসাব অনুযায়ী প্রণালীটি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল এবং বিকল্প পাইপলাইনের সাহায্যে আরো ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পাঠানো হচ্ছে। সব মিলিয়ে আরব উপসাগরীয় এলাকা থেকে দৈনিক তেল সরবরাহের পরিমাণ এখন সঙ্ঘাতের পূর্ববর্তী মেয়াদের দুই-তৃতীয়াংশে উন্নীত হয়েছে, যা গত মার্চ মাসের তলানীর তুলনায় বেশ ভালো অগ্রগতি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার হামলা-পাল্টা হামলায় ওই অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রস্তাবের উদ্দেশ্যে গত জুনে পাকিস্তানের সহায়তায় একটি সমঝোতা সই হলেও সামরিক সঙ্ঘাত থামেনি। মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রীর দাবি, প্রণালীটি দিয়ে সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে বলে সংবাদমাধ্যমে ছড়ানো বেশির ভাগ খবরই বিভ্রান্তিকর। তিনি জানান, ইরানের কোনো প্রত্যক্ষ সহযোগিতা না থাকলেও সেখান থেকে তেল ও গ্যাসের বাণিজ্যিক চালান অব্যাহত রাখা সম্ভব। তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে পরিস্থিতির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি চান, তবে তার জন্য উভয় পক্ষের সম্মতি প্রয়োজন। অন্যথায় ইরানের সহযোগিতা ছাড়াই হরমুজ প্রণালীতে নৌযানের নিরাপদ পথ সুগম রাখা হবে।



