ক্রীড়া প্রতিবেদক
সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের একত্রিত ফিফা উইন্ডো। এই উইন্ডোতে বাংলাদেশের সামনে তিনটি টুর্নামেন্ট। এর যেকোনো একটি আসরে তাদের খেলতে হবে। আসিয়ান কাপে খেলার সুযোগ এসেছে বাংলাদেশের সামনে। ভারত এই আসর থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয়ায় বাংলাদেশের সুযোগ এসেছে। এতে বাংলাদেশ গ্রুপে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাচ্ছে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়াকে। নভেম্বরের সাফ ফুটবলের আগে এই আসর বাংলাদেশ দলের প্রস্তুতিকে যথাযথ করবে। জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীদের প্রধান কোচ থমাস ডুলি অবশ্য জানান, ‘বাংলাদেশ আসিয়ান কাপে আন্ডারডগ হিসেবেই খেলবে।’ এরপর যোগ করেন, ফুটবলারদের শতভাগ শারীরিক ফিটনেস নিশ্চিত করা গেলে যেকোনো বড় প্রতিপক্ষকে চমকে দেয়া সম্ভব বাংলাদেশের পক্ষে।
ডুলি বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর বা মালয়েশিয়ার মতো দলের বিপক্ষে খেলা আমাদের জন্য বড় পরীক্ষা। এই টুর্নামেন্টে আমরা নিশ্চিতভাবেই আন্ডারডগ হিসেবে মাঠে নামবো। তবে আন্ডারডগ হওয়ারও একটা ইতিবাচক দিক আছে। আর তা প্রতিপক্ষের ওপর চাপ। আর আমাদের লক্ষ্য থাকবে মাঠে নিজেদের উজাড় করে তাদের সামলানো। খেলোয়াড়রা যদি শারীরিকভাবে শতভাগ ফিট থাকে, তবে যে কাউকেই চমকে দেয়া সম্ভব।’
আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণটা নির্ভর করছে ফিফার সবুজ সংকেতের উপর। যদিও এর বাইরে কিরগিজস্তানে তিনজাতি ফুটবলে খেলার প্রস্তাব আছে। বাংলাদেশও ঢাকায় করতে চায় চার জাতি ফুটবল।
কিরগিজস্তানে তিন জাতি ফুটবলে অন্য দুই প্রতিপক্ষ কিরগিজস্তান ও লেবানন। এই দুই দলের বিপক্ষে জেতাটা কঠিন। কোচের মতে, এমন ফল দলের আত্মবিশ্বাসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে প্রস্তুতির ক্ষেত্রে ঘরোয়া লিগের অনিশ্চয়তা ও খেলোয়াড়দের ফিটনেসের ঘাটতিকে প্রধান বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন ডুলি। তার মতে, ‘২১ সেপ্টেম্বর থেকে ফিফা উইন্ডো শুরু হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে চার সপ্তাহের প্রাক-মৌসুম ফিটনেস ট্রেনিং এবং ৫-৬টি ম্যাচ খেলার সুযোগ না থাকলে লড়াই করা ভীষণ কঠিন। পেশাদার ফুটবলের ক্ষেত্রে পরিস্থিতিটি জটিল হলেও বিদ্যমান পরিস্থিতির সঙ্গেই আমাদের মানিয়ে নিতে হচ্ছে।’
ক্যাম্পে পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সুযোগ নিশ্চিত করতে ফিফা উইন্ডোর নির্দিষ্ট নিয়মের বাইরে গিয়ে ক্লাবগুলোকে অন্তত ৭ দিনের বেশি সময় ফুটবলারদের জাতীয় দলে ছাড়ার অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি।



