শজিমেকে ডাক্তারদের উপর হামলা

ছাত্রদলের ৫ নেতা বহিষ্কার, ধর্মঘট প্রত্যাহার

Printed Edition

বগুড়া অফিস

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের উপর হামলা ও মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পাঁচ নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। সেই সাথে হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদারের আশ্বাসের পর কর্মবিরতি সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

প্রায় ৪০ ঘণ্টা কর্মবিরতির পর গতকাল বিকেল ৪টার দিকে তারা এ সিদ্ধান্ত জানান। এর আগে বেলা ১টার দিকে হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, হাসপাতাল কর্তৃৃপক্ষ, বিএনপি ও ছাত্রদলের স্থানীয় নেতারা প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা করেন। পরে হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক রিতুল মণ্ডল স্নিগ্ধ কর্মবিরতি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।

এদিকে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা গতকাল সকালে হাসপাতালের বহির্বিভাগের টিকিট কাউন্টার বন্ধ করে অবস্থান নেয়ায় দূরদূরান্ত থেকে আসা শত শত রোগী চরম ভোগান্তিতে পড়েন। তবে সার্বক্ষণিক চালু ছিল জরুরি বিভাগ। এ অবস্থায় পরিস্থিতি নিরসনে দুপুরে শজিমেক মিলনায়তনে জরুরি বৈঠকে বসেন জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান, পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ, হাসপাতালের উপপরিচালক ডা: মঞ্জুর-এ-মোর্শেদ ও বগুড়া জেলা বিএনপির শীর্ষনেতা এবং বিএমএ ও চিকিৎসকদের প্রতিনিধিরা।

এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শজিমেক হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে আব্দুল মালেক (৫৫) নামে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সাথে স্বজনদের সংঘর্ষ হয়। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিযোগ, রোগীর স্বজনরা বার্মিজ চাকু ও লোহার রড নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে অন্তত ২১ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক আহত হন। এ সময় হাসপাতালের চিকিৎসাসামগ্রীও ভাঙচুর করা হয়।