নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের প্রায় তিন হাজার রিক্রুটিং লাইসেন্সধারীর অধিকাংশই অনিয়মে জড়িত উল্লেখ করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো: নুরুল হক বলেছেন, যেসব রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক প্রতারকচক্র হিসেবে কাজ করছেন তাদের প্রত্যেককে ডিবি, পুলিশ ও বিভিন্ন এজেন্সি নজরদারি করছে। তাই রেহাই পাওয়ার সুযোগ নেই। সুতরাং এখনো এগুলো বন্ধ না করলে তাদের কপালে শনির দশা আছে। ঢাকার একটি হোটেলে ‘ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট প্ল্যাটফর্মের (ওইপি) আওতায় অনলাইন অভিযোগ ব্যবস্থাপনা’ মডিউলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ায় কোন প্রক্রিয়ায় লোক পাঠানো হবে তা নিয়ে আমাদের আলোচনা চলছে। অতীতের বিতর্কিত প্রক্রিয়া এড়িয়ে আমরা স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ও কম খরচে কর্মীদের যাওয়ার পথ তৈরি করতে চাই। তার আগেই দেখছি, টাকা নেয়ার জন্য লাইন দেয়া, সিরিয়াল করা, এগুলোর বিজ্ঞাপন চলছে। এটা স্পষ্টতই অভিবাসী আইনের লঙ্ঘন। কারণ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া বিজ্ঞাপন দেয়ার কোনো সুযোগ নেই।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিয়ম সঠিকভাবে মানলে চার-পাঁচশ’র বেশি লাইসেন্স টিকবে না। ভুয়া ও অনিয়মে জড়িত রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিলসহ অভিবাসন খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকার কঠোর অবস্থান নেবে। পাশাপাশি প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে ঋণ পেতে কোনো ধরনের ঘুষ বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মোখতার আহমেদ বলেন, আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে মন্ত্রণালয়, বিএমইটি, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডে ম্যাজিস্ট্রেট পদায়ন করা হবে। যারা অভিযোগ বা সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান করবেন।
অনুষ্ঠানে বিএমইটির মহাপরিচালক জামিল আহমেদ, পরিচালক (কর্মসংস্থাণ) মাসুদ রানা, মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন (প্রশিক্ষণ) ছাড়াও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



