লালমোহনে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে কলেজছাত্র নিহত

বিকাশ ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন স্থানে ৫ লাশ উদ্ধার

Printed Edition
লালমোহনে কিশোর গ্যাংয়ের  হাতে কলেজছাত্র নিহত
লালমোহনে কিশোর গ্যাংয়ের হাতে কলেজছাত্র নিহত

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

ভোলার লালমোহনে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা এক কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। অন্য দিকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক বিকাশ ব্যবসায়ীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঁচ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

লালমোহন (ভোলা) সংবাদদাতা জানান, ভোলার লালমোহনে কিশোর গ্যাংয়ের দলবদ্ধ হামলায় ইব্রাহিম খলিল নয়ন (২৪) নামে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছে। হত্যার পর কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্বে দেয়া খুনি আব্দুল্লাহ আল মানিক (১৭) লালমোহন থানায় আত্মসমর্পণ করে। সে লালমোহন ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড ফুলবাগিচা এলাকার মো: আলাউদ্দিনের ছেলে এবং লালমোহন আব্দুল ওহাব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী বলে জানা যায়। এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরো দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১টায়, লালমোহন পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের সেলিম চেয়ারম্যানের বাসার সামনে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত নয়ন পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সালাউদ্দিনের ছেলে। সে গজারিয়া ডা: আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কিশোর গ্যাংয়ের নেতা আব্দুল্লাহ আল মানিকসহ তার বন্ধুরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ইব্রাহিম খলিল নয়ন ও তার সঙ্গীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় নয়ন। নয়নকে বাঁচাতে গিয়ে আরো দুইজন গুরুতর আহত হন। আহতরা হলো- লালমোহন পৌরসভার বাসিন্দা মো: আলী জিন্নাহর ছেলে আরমান এবং আবুল কালাম আজাদের ছেলে আশরাফ।

নয়নের বন্ধুরা ঘটনার খবর পেয়ে লালমোহন থানা গেটের সামনে অপরাধীর দ্রুত সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে ভোলা- চরফ্যাসন মহাসড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। এতে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সব ধরনের জান চলাচল বন্ধ থাকে। এ ঘটনায় লালমোহন সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সত্যজিত কুমার ঘোষ বলেন, লালমোহন পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডে বেলা ১টায় ওহাব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশের বালুর মাঠে একটি মারামারির ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে মূল অভিযুক্ত মানিকের ছুরিকাঘাতে একজন নিহত হন ও দুইজন আহত হন। মূল আসামি আমাদের হেফাজতে আছে। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি ও ফতুল্লা সংবাদদাতা জানান, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মো: মোতালেব হোসেন (৬১) নামে এক বিকাশ ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। পরে তার লাশ লেপ-তোশকে মোড়িয়ে সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফতুল্লার মাসদাইর এলাকার জামতলা হাজী ব্রাদার্স রোডের এমপি গলি সংলগ্ন সড়কের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম।

নিহত মো: মোতালেব হোসেন (৬১), লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার শিবপুর এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফতুল্লার মাসদাইর গোরস্থান এলাকার ফারুক মিয়ার জাজিরা টাওয়ারের ষষ্ঠতলায় বসবাস করছিলেন। তিনি মাসদাইর বাজারে একটি লাইব্রেরি ও বিকাশ এজেন্টের ব্যবসা পরিচালনা করতেন।

পুলিশ জানায়, বুধবার রাত থেকে মোতালেব হোসেন নিখোঁজ ছিলেন। পরে তার স্বজনরা ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয়রা সড়কের পাশে লেপ-তোশকে মোড়ানো একটি লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বুধবারই তাকে হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ছাড়া শ্বাসরোধের পাশাপাশি গরম পানির ছ্যাঁকা দেয়ারও আলামত পাওয়া গেছে। তিনি আরো জানান, ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত এবং গ্রেফতারে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

জকিগঞ্জ (সিলেট) সংবাদদাতা জানান, সিলেটের জকিগঞ্জে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির জেরে চাচাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে আরেক ভাই নিহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে। বুধবার গভীর রাতে জকিগঞ্জ উপজেলার খলাছড়া ইউনিয়নের লামারগ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলম আহমদ (২৮) লামারগ্রামের ওয়ারিছ আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন রিকশাচালক ছিলেন। গ্রেফতার হওয়া পারভেজ আহমদ (৩২) মোস্তকিন আলীর ছেলে এবং নিহতের আপন চাচাতো ভাই।

জকিগঞ্জ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার সময় চিৎকার করাকে কেন্দ্র করে পারভেজ আহমদ ও আলম আহমদের মধ্যে কথাকাটাকাটির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিরোধের জেরে পারভেজ আহমদ ছুরি দিয়ে আলমকে আঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় আলম আহমদকে উদ্ধার করে জকিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে জকিগঞ্জ থানা পুলিশ তাৎণিক অভিযান চালিয়ে ঘাতক পারভেজ আহমদকে খলাছড়া ইউনিয়নের মাদারখাল গ্রামের নানাবাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিও উদ্ধার করা হয়।

কানাইঘাট (সিলেট) সংবাদদাতা জানান, কানাইঘাট উপজেলার লক্ষ্মীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের বড়বন্দ ৩য় খণ্ড গ্রামে আবারো নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্যকে কেন্দ্র করে ভায়রা ভাই ও তার ভাই, ভাগ্নারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জাহাঙ্গীর আলম (২৮) নামে এক যুবককে গুরুতর জখম করে। স্বজনরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় জাহাঙ্গীরকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ১ জুলাই বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ইউনিয়নের করুনা সুন্দরী দীঘির রাস্তার পাশে ঘটেছে। নিহত জাহাঙ্গীর আলম বড়বন্দ ৩য় খণ্ড গ্রামের মৃত মোসা মিয়ার পুত্র। নিহতদের স্বজনরা জানিয়েছেন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে জগড়াকে কেন্দ্র করে জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী আনুমানিক দুই মাস আগে দুই সন্তান নিয়ে তার পিত্রালয়ে চলে যায়। এ দিকে পিত্রালয় থেকে ফিরিয়ে আনতে জাহাঙ্গীর আলম একই গ্রামের সিকন্দর আলীর ছেলে তার ভায়রা ভাই শামীম উদ্দিনের দ্বারস্থ হন। এ নিয়ে বুধবার বিকেল ২টার দিকে কথাকাটাকাটির জের ধরে ভায়রা শামীম উদ্দিন ও তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন জাহাঙ্গীর আলমকে মারার জন্য চেষ্টা করলে সে পালিয়ে যায়। বিকেল ৫টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে স্থানীয় বড়বন্দ বাজারে আসার পথে করুনা সুন্দরী দীঘির পাশে ভায়রা শামীম ও তার ভাই ডালিম উদ্দিন, নাইম উদ্দিন ও তার ভাইগ্না তারেক আহমদ, শাহেদ আহমদসহ কয়েকজন জাহাঙ্গীর আলমের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। বর্তমানে তার লাশ ওসমানী হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

মিরপুর (কুষ্টিয়া) সংবাদদাতা জানান, কুষ্টিয়ার মিরপুরে রিপন কাজী (২৫) নামে এক মুদি দোকানদারের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর মহাসড়কের মিরপুর পৌরসভার তালতলায় সড়কের পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়। নিহত রিপন কাজী মিরপুর পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ডের আলম কাজীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে তার দোকানের সামনে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। এ সময় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

নওগাঁ প্রতিনিধি জানান, নওগাঁর নিয়ামতপুরে আখতারুজ্জামান (২৪) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টায় উপজেলার আয়েশাতলা নামক এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। আখতারুজ্জামান উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে এলাকাবাসী বটতলী ও তেনাপীরের মাঝামাঝি আয়েশাতলা নামক স্থানে আখতারুজ্জামানের লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠান।

রাজবাড়ী প্রতিনিধি জানান, রাজবাড়ী সদর উপজেলার বিনোদপুর এলাকার সদর খাদ্য গুদামের সামনে একটি ময়লার ভাগাড় থেকে কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয়দের দেয়া খবরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রতিদিনের মতো সকালে এক টোকাই ময়লার ভাগাড়ে বিভিন্ন জিনিসপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ দেখতে পান। ব্যাগটি খুলতেই ভেতরে কাপড়ে মোড়ানো নবজাতকের লাশ দেখতে পেয়ে তিনি আতঙ্কিত হয়ে আশপাশের লোকজনকে জানান। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। স্থানীয় বাসিন্দা আতাহার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। অনেক মানুষ একটি সন্তানের আশায় বছরের পর বছর অপেক্ষা করেন। অথচ কেউ একজন জন্ম নেয়া একটি নবজাতককে এভাবে ময়লার ভাগাড়ে ফেলে গেছেন। এমন নির্মমতা মেনে নেয়া কঠিন।

রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশের ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

ময়মনসিংহ অফিস জানান, ময়মনসিংহ নগরীতে এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর মাত্র চার ঘণ্টা আগে বহুতল ভবনের ছাদ থেকে পড়ে তিশা সরকার (১৮) নামে এক পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে নগরীর কাচিঝুলী মসজিদ রোড এলাকার নাসা টাওয়ারে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তিশা সরকার ময়মনসিংহ নগরীর মিন্টু কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। তিনি জেলার তারাকান্দা উপজেলার মধ্যবাজার এলাকার উত্তম সরকার ও মনি সরকারের মেয়ে। পড়াশোনার সুবিধার্থে গত দুই বছর ধরে তিনি কাচিঝুলী এলাকার একটি ছাত্রী মেসে বসবাস করছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। এর প্রায় চার ঘণ্টা আগে ভবনটির ছাদ থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন তিশা। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।