আসাদুল ইসলাম সবুজ লালমনিরহাট
আধুনিক স্ট্রিট লাইটের দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জায় নতুন রূপ পেয়েছে লালমনিরহাট জেলা শহর। রেলস্টেশন থেকে সার্কিট হাউজ পর্যন্ত সড়কে স্থাপিত নতুন আলোকব্যবস্থা রাতের সৌন্দর্য যেমন বাড়িয়েছে, তেমনি পথচারী ও যানবাহন চলাচলেও এসেছে স্বস্তি। স্থানীয়দের মতে, এ উদ্যোগে শহরের নিরাপত্তা জোরদার হওয়ার পাশাপাশি নগরের সৌন্দর্যও বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
পৌরসভা সূত্র জানায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ বরাদ্দের প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে রেলস্টেশন থেকে সার্কিট হাউজ পর্যন্ত সড়কের ৫৪টি খুঁটিতে আধুনিক স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিটি খুঁটির শীর্ষে ১৩টি করে নান্দনিক এলইডি বাতি বসানো হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু আনুষ্ঠানিকভাবে সুইচ টিপে এ আলোকসজ্জার উদ্বোধন করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, বিভাগীয় শহর রাজশাহীতে আধুনিক আলোকায়ন প্রকল্পের আদলে লালমনিরহাটে এ ধরনের স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে রাতে সড়কে দৃশ্যমানতা বেড়েছে, পথচারীদের চলাচল সহজ হয়েছে এবং ছিনতাই-চুরির মতো অপরাধ কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রকল্পটি প্রশংসা কুড়াচ্ছে। অটোরিকশাচালক জালাল উদ্দিন বলেন, আগে রাতের বেলা রেলস্টেশন থেকে মিশন মোড় পর্যন্ত সড়কটি অন্ধকারে ডুবে থাকত। গাড়ি চালাতে এবং যাত্রী নিয়ে যেতে ভয় ভয় লাগত। এখন পুরো সড়ক আলোকিত থাকায় নিশ্চিন্তে গাড়ি চালানো যায়।
পথচারী জুয়েল রানা বলেন, কর্মব্যস্ত দিনের শেষে অনেক মানুষই এই সড়ক পথে হেঁটে বাসায় ফেরেন। আগে পর্যাপ্ত আলো না থাকায় অসুবিধা হতো, ভয় কাজ করত মনে। স্ট্রিট লাইট স্থাপনের কারণে সন্ধ্যার পর বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করা যাচ্ছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী লালমনিরহাটকে আধুনিক ও স্মার্ট শহরে রূপান্তরের অংশ হিসেবেই এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে শহরের অন্য গুরুত্বপূর্ণ সড়কেও একই ধরনের আধুনিক স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হবে।



