বিশ্বকাপ খেলা দেখে বাসায় ফেরার পথে বাসচাপায় ২ যুবক নিহত

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তরায় বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখে বাসায় ফেরার পথে বাসচাপায় দুই যুবক নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিক রবিউল আলম রাজু ও সংবাদ দিগন্তের সাংবাদিক সাকিবুল হাসান। সাকিবুল হাসান উত্তরা প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক এবং রবিউল আলম রাজু আপ্যায়ন সম্পাদক। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোররাতে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টর জসিমউদদীন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। উত্তরা পশ্চিম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মুনসুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ফুটবলের ইংল্যান্ড বনাম আর্জেন্টিনার সেমিফাইনাল খেলা দেখে বাসায় ফিরছিলেন তারা। পথে উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরে জসিমউদদীন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে তাদের চাপা দেয় একটি বাস। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে রাজধানীর একই এলাকার জসীমউদ্দীন রোডে ইউ-টার্ন মোড়ে দ্রুতগামী একটি ট্রাকের ধাক্কায় মো: আনোয়ারুল হক (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বুধবার রাতে এই ঘটনাটি ঘটে।

নিহতের ভাতিজা মোহাম্মদ পরশ জানান, মোটর গ্যারেজের কাজ শেষ করে গাজীপুর কোনাবাড়ীর বাসায় ফেরার উদ্দেশ্যে বের হন আনোয়ারুল হক। রাত ৯টার দিকে তিনি উত্তরা জসিমউদ্দীন রোডের ইউ-টার্ন মোড়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দিলে মাথায় গুরুতর আঘাত পান তিনি। পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে নেয়া হলে সেখানে তিনি মারা যান।

অন্যদিকে তুরাগ সিরাজ মার্কেটের পাশে আকবর ভবন সবুজের বস্তি এলাকায় কবিতা রাফা নামে সাত মাসের এক শিশুকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে বাবার বিরুদ্ধে। বাবা মোহাম্মদ কবির থানায় আটক আছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিসাধীন অবস্থায় শিশুর মৃত্যু হয়।

নিহত শিশু মা লিমা আক্তার জানান, আমার স্বামী একজন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালক। আমার স্বামীর সাথে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। কথা কাটাকাটির এক পর‌্যায়ে আমার চোখের সামনে মেয়েকে পা ধরে মাথার উপর উঠিয়ে আছার মারে, এতে আমার বাচ্চা গুরুতর আহত হয়। পরে আমরা বাচ্চাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই, সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে চিকিৎসাধীন রাখেন। পরে মেয়ে মারা যায়। পরে স্থানীয় লোকজন আমার স্বামী কবিরকে আটক করে পুলিশের সোপর্দ করে। আমার একটা মাত্রই মেয়ে।