আর্জেন্টিনাকে বিদায় ওতামেন্দির

Printed Edition
আর্জেন্টিনাকে বিদায় ওতামেন্দির
আর্জেন্টিনাকে বিদায় ওতামেন্দির

ক্রীড়া প্রতিবেদক

নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবল। ফাইনালে ২০২২ আসরের চ্যাম্পিয়ন লিওনেল মেসিদের হারিয়ে শিরোপা জয় করে রদ্রি-ইয়ামালরা। হারের হতাশা এখনো পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেননি আর্জেন্টিনা। সেই সাথে দলের খেলোয়াড়রাও। এরই মধ্যে তিনবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের হয়ে আর মাঠে না নামার সিদ্ধান্ত জানালেন সেন্টার ব্যাক নিকোলাস ওতামেন্দি। অতীতকে পেছনে ফেলে নতুন অধ্যায় শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। রিভার প্লেটের হয়ে অনুশীলনও শুরু করেছেন। আজ বারাকাস সেন্ট্রালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নতুন ক্লাবে তার অভিষেক হওয়ার কথা।

এর আগে জাতীয় দলে নিজের অধ্যায়ের ইতি টেনে ৩৮ বছর বয়সী এই ডিফেন্ডার আবেগঘন এক বার্তায় ১৭ বছরের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ফুটবলকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানিয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে জাতীয় দলের হয়ে নিজের সেরা মুহূর্তগুলোর ভিডিও প্রকাশ করে ওতামেন্দি লিখেছেন, ‘আজ আমাকে আমার পুরো ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন কথাগুলো লিখতে হচ্ছে। ছোটবেলা থেকেই আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে চাপানোর স্বপ্ন দেখতাম। আমি আমার আত্মা, অগাধ গর্ব এবং কোটি কোটি আর্জেন্টাইনের কাছে এই জার্সির আবেগ ও দায়িত্বের মূল্য অনুধাবন করেই একে মাঠের লড়াইয়ে আগলে রেখেছি।’

তিনি যোগ করেন, ‘ভাগ্যই যেন ঠিক করে রেখেছিল, আমার শেষ ম্যাচ হবে বিশ্বকাপ ফাইনাল। ফলটা অবশ্য আমরা যেভাবে চেয়েছিলাম, সেভাবে হয়নি। তবে আমি মাথা উঁচু করেই বিদায় নিচ্ছি। কারণ জানি, এই দল শেষ সেকেন্ড পর্যন্ত নিজেদের সবটুকু উজাড় করে লড়েছে। মাঠে আমি আমার সব কিছুই দিয়ে এসেছি- এ তৃপ্তি নিয়েই বিদায় নিচ্ছি। কখনো একফোঁটা চেষ্টারও কমতি রাখিনি, কখনো বিশ্বাস হারাইনি। আর এই জার্সিকে জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান হিসেবেই সব সময় অনুভব করেছি।’

সম্প্রতি ইউরোপে ১৭ বছরের সফল অধ্যায়ের ইতি টেনে আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী ক্লাব রিভার প্লেটে যোগ দিয়েছেন ওতামেন্দি। ইউরোপে তিনি খেলেছেন পোর্তো, ভ্যালেন্সিয়া, ম্যানচেস্টার সিটি ও বেনফিকার হয়ে। আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন চারটি বিশ্বকাপে। জাতীয় দলের হয়ে ১৩৯ ম্যাচে করেছেন ৮ গোল। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে জাতীয় দলের হয়ে ২০২২ বিশ্বকাপ এবং দু’টি কোপা আমেরিকা শিরোপা জয় করেছেন ওতামেন্দি।