কামরাঙ্গীরচরে ৭ দিনের ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ ঘোষণা ডিএসসিসি প্রশাসকের

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

ডেঙ্গু এবং মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে ও সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায় সাত দিনের বিশেষ ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ ঘোষণা করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আবদুস সালাম।

গতকাল কামরাঙ্গীরচর ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন মসজিদে জুমার নামাজ শেষে মুসল্লিদের উদ্দেশে বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে আগামী সাত দিন কামরাঙ্গীরচরে বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হবে। এ সময় প্রতিদিন মশকনিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে শুধু সিটি করপোরেশনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; নিজ বাসাবাড়ি, আঙিনা ও ড্রেনে যাতে কোথাও পানি জমে না থাকে, সে বিষয়েও নাগরিকদের সচেতন থাকতে হবে।

তিনি বলেন, কামরাঙ্গীরচর সড়ককে আট লেনে উন্নীত করার জন্য ইনার সার্কুলার রোড প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি কামরাঙ্গীরচরের সার্বিক চিত্রও বদলে যাবে।

আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নদীতে ময়লা-আবর্জনা ও পলিথিন ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে। একইসাথে নদী দখল রোধে স্থানীয় জনগণকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি মাদক, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। পাশাপাশি রাস্তাঘাট, ড্রেন ও খেলার মাঠ দখলমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মসজিদের রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি পরিবেশ রক্ষায় প্রত্যেককে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য কামরাঙ্গীরচর গড়ে তুলতে সবার সম্মিলিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই।

ডিএসসিসি প্রশাসক কামরাঙ্গীরচর এলাকার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। পরে তিনি সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুড়িগঙ্গা গণপাঠাগার প্রাঙ্গণ এবং বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বৃক্ষরোপণ করেন। এ সময় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।