(গত দিনের পর)
মেরিন্তারা এগিয়ে যায়। আন্দ্রারিণী তার মুখটা মেরিন্তারার মুখের কাছে এনে তার লতানো বাহু দিয়ে কণ্ঠস্বরটা টেনে বের করে আনে! মেরিন্তারা অনুভব করে তার কণ্ঠ থেকে একটা উজ্জ্বল সোনালি আলো ডাইনির কণ্ঠে চলে গেল। সাথে সাথে ডাইনির কর্কশ স্বর পরিবর্তন হয়ে মিষ্টি সুরেলা হয়ে গেল।
মেরিন্তারা এবার চেষ্টা করে কথা বলতে। কিন্তু পারে না। সে সম্পূর্ণ বোবা হয়ে গেছে। তার মুখ থেকে এখন আর কোনো শব্দই বের হচ্ছে না! একেবারে বাকরুদ্ধ মানবী হয়ে গেল সে!
‘হা হা হা!’ আন্দ্রারিণী এবার বিজয়ীর হাসি হাসে। জল-ডাইনির মুখে এখন মিষ্টি সুরেলা হাসি। যেন মেরিন্তারা নিজেই হাসছে জল-ডাইনির মুখে।
আরেকটি কাজ বাকি আছে এখনো জল-ডাইনির। গুহার এক কোণে সুরক্ষিত রয়েছে একটি ‘কড মাছের কঙ্কালের জাদুদণ্ড। সেটি নিয়ে আসে জল-ডাইনি। এরপর মন্ত্র পড়তে পড়তে সে জাদুদণ্ড দিয়ে মেরিন্তারার লেজে স্পর্শ করে। পানির ভেতরেই বিদ্যুৎ খেলে যায় মেরিন্তারার শরীরে। সে এক অসহ্য যন্ত্রণা। তার মসৃণ আঁশগুলো এখন খসে খসে পড়তে থাকে। (চলবে)



