এম এ রকিব শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)
দেশের অন্যতম পর্যটনকেন্দ্র ও চায়ের রাজধানীখ্যাত শ্রীমঙ্গল পৌরসভা প্রতিষ্ঠার প্রায় ৯০ বছর পার হলেও এখনো সীমানা সম্প্রসারণের মুখ দেখেনি পৌরবাসী। ২০০২ সালে প্রথম শ্রেণীর পৌরসভায় উন্নীত হলেও এর আয়তন রয়ে গেছে আগের সেই দুই দশমিক ৫৮ বর্গকিলোমিটার। একই সাথে দীর্ঘদিনের জনবল সঙ্কটে ব্যাহত হচ্ছে নাগরিক সেবা।
১৯৩৫ সালে প্রতিষ্ঠাকালে পৌরসভার জনসংখ্যা ছিল দুই থেকে আড়াই হাজার। বর্তমানে একই সীমানার মধ্যে বসবাস করছেন প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষ। প্রতি বছর লাখো পর্যটকের আগমন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্প্রসারিত হলেও সে অনুযায়ী পৌরসভার পরিধি কিংবা সেবার মান বাড়েনি।
দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও প্রস্তাবিত পৌর এলাকার বাসিন্দা মো: ফজলুর রহমান বলেন, গেজেট প্রকাশের পর থেকেই জমি ও বাড়ি-ঘর হস্তান্তরের ক্ষেত্রে পৌরকর পরিশোধ করতে হচ্ছে। আমজদ আলী রোডের বাসিন্দা মো: জাহিদ হোসেনের অভিযোগ, বছরের পর বছর কর দিলেও রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ, পরিচ্ছন্নতা ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত তারা।
শ্রীমঙ্গল পৌরসভার প্রধান প্রকৌশলী মো: জহিরুল ইসলাম জানান, সম্প্রসারণ বাস্তবায়িত হলে পৌরসভার আয়তন বেড়ে হবে ৯ দশমিক ৫২ বর্গকিলোমিটার। এতে রূপসপুর, ভাড়াউড়া, সুনগইড়, ফুলছড়া, ভুরভুরিয়া, রামনগর ও উত্তরসুরসহ কয়েকটি মৌজার বিভিন্ন গ্রাম পৌরসভার আওতায় আসবে। সর্বশেষ গত ১৯ জুলাই নতুন প্রস্তাব জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
শ্রীমঙ্গল পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: জিয়াউর রহমান বলেন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়নের স্বার্থে দ্রুত সময়ের মধ্যেই সম্প্রসারণ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে।



