কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা
কুয়াকাটায় দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে থাকা ক্রয়কৃত জমি, দলীয় কার্যালয় ও মার্কেট দখলের অভিযোগ এনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং আইনানুগভাবে জমি বুঝে পাওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কুয়াকাটা পৌর শাখা। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় কুয়াকাটা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আ: আজিজ মুসুল্লী।
লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ৩৪ নম্বর লচাপলী মৌজার এসএ ১২২৭ নম্বর খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত এসএ ৫১৭৮, ৫১৮০ ও ৫১৮৪ নম্বর দাগের জমির রেকর্ডীয় মালিক ছিলেন আরজ আলী শেখ। ওই জমির অংশ থেকে ১৯৬৫ সালে ১৮০৭ নম্বর সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে ১.৩৩ একর জমি আ: আলী শেখ ক্রয় করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে আ: আজিজ মুসুল্লী, আলী আহম্মেদ শেখ, আ: মন্নান (ময়নুদ্দিন) ও নুর আলম শেখ যৌথভাবে ৫৮৫ নম্বর সাব-কবলা দলিল মূলে ২১ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। এ ছাড়া ২০০৯ সালে একই সম্পত্তির আরো ৭৫ শতাংশ জমি নুর আলম শেখের নামে নিবন্ধিত হয়।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই জমি ভোগদখল করে আসছিলেন এবং বিএনপির একটি দলীয় কার্যালয়ও স্থাপন করেন। তবে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল বারেক মোল্লার নেতৃত্বে বিএনপির সেই কার্যালয় দখল করে সেখানে আওয়ামী লীগের কার্যালয় স্থাপন করা হয়। একই সাথে অনুমতি ও আইনগত অধিকার ছাড়াই জমিতে মাটি ভরাট এবং সামনের অংশে মার্কেট নির্মাণ করে অবৈধ দখল করে নেন তারা। অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল বারেক মোল্লা বলেন, ‘ওই জমি আমার নয়। জমির মালিক আমার ভাতিজা বেলাল। তিনি পটুয়াখালী পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মিলন মিয়ার স্ত্রী উর্মির কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছেন।



