জ্বালানি সঙ্কট কাটাতে সময় প্রয়োজন :মাহবুব আনাম

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

জ্বালানি সঙ্কটকে বিগত সরকারের রেখে যাওয়া সমস্যার অংশ হিসেবে উল্লেখ করে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার কাজ করছে। তবে সঙ্কট কাটাতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। এ সময় পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে।

রোববার বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি বিজ্ঞানী সংঘের (বায়েসা) আয়োজনে ‘বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রায়োগিক সক্ষমতা সমৃদ্ধকরণ: বর্তমান অবস্থা, চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, গত ১৭ বছর একটি সরকার দেশ পরিচালনা করেছে। সেই সরকারের রেখে যাওয়া বিভিন্ন কাজ এখন দেশকে পেছনে টানছে। বর্তমান জ্বালানি সঙ্কটও তার একটি অংশ। তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে দেশের অন্যতম বৃহৎ মেধাবী জনবল রয়েছে। দেশের উন্নয়নে তাদের যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। কমিশনের সমস্যা সমাধান ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে সরকার কাজ করছে। পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে ক্ষুদ্র মডুলার রিঅ্যাক্টর (এসএমআর) প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আনোয়ার হোসেন গবেষণার নতুন ক্ষেত্র তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন। সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেয়া হলে মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

সভায় বায়েসার সভাপতি ড. এ এস এম সাইফুল্লাহ সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর পর দেশের পারমাণবিক কর্মসূচি নতুন বাস্তবতায় প্রবেশ করবে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের কারিগরি সক্ষমতা বাড়িয়ে ভবিষ্যতে জাতীয় কারিগরি সহায়তা সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন।