সার্ক পুনরুজ্জীবনে সরকারের অটল সমর্থন রয়েছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

Printed Edition
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন সাক্ষাৎ করেন  : পিআইডি
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন সাক্ষাৎ করেন : পিআইডি

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ সার্ক পুনরুজ্জীবিত করতে বাংলাদেশ সরকারের অটল সমর্থন এবং দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির জন্য সদস্য দেশগুলোর সাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।

গতকাল সার্কের মহাসচিব গোলাম সারওয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে এলে তিনি এ প্রতিশ্রুতির কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী সার্কের প্রক্রিয়াগুলোকে শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন এবং সার্ক সনদে অন্তর্ভুক্ত নীতিগুলোর প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এর মধ্যে রয়েছে- সার্বভৌম সমতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জনগণের পারস্পরিক সুবিধা। তিনি বলেন, সার্ক অভিন্ন আঞ্চলিক মূল্যবোধকে লালন করে এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সংযোগ, দারিদ্র্য বিমোচন, বিদ্যুৎ, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্যনিরাপত্তা, শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, সংস্কৃতি ও জনগণের সাথে জনগণের যোগাযোগ ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করে চলেছে।

শামা ওবায়েদ বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণাটি ১৯৮০-এর দশকের গোড়ার দিকে বাংলাদেশ প্রথম প্রস্তাব করেছিল। এর লক্ষ্য ছিল জনগণের কল্যাণ, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং সম্মিলিত স্বনির্ভরতা জোরদার করা। ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক ছিল সংস্থার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বাংলাদেশ। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গতিশীলতার ক্রমবর্ধমান ধারার মধ্যে সার্কের প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মূল্যবান অবদানের স্বীকৃতি দেয় সরকার।