চট্টগ্রাম ব্যুরো
চট্টগ্রামের বায়েজিদ এলাকায় সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে চোখে আঘাতপ্রাপ্ত ১১ বছরের শিশু রেশমি আক্তারের অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। ঘটনার পাঁচ দিন পরেও গুলিটি তার শরীর থেকে বের করা সম্ভব হয়নি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গুলিটি চোখ দিয়ে ঢুকে মাথার গভীরে আটকে রয়েছে এবং শিশুটির অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (সিএমসিএইচ) নিউরোসার্জারি ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মো: বাকি বিল্লাহ জানান, শিশুটি বর্তমানে প্রায় ব্রেনডেড অবস্থায় রয়েছে। তার চেতনা প্রায় নেই এবং রক্তচাপও অত্যন্ত নিচে নেমে গেছে। অস্ত্রোপচারে জীবনহানির আশঙ্কা আরো বেড়ে যেতে পারে বিবেচনায় মেডিক্যাল বোর্ড এখনই গুলি অপসারণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে রেশমিকে সিএমসিএইচের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে বায়েজিদ থানার রৌফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার গলি এলাকায়। সেখানে অজ্ঞাত চার-পাঁচজন দুর্বৃত্ত মো: হাসান ওরফে রাজু নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করে। সেই সময় সন্ত্রাসীদের ছোড়া একটি গুলি পথচারী রেশমির চোখে এসে লাগে।
পরিবার জানিয়েছে, ঘটনার সময় রেশমি মায়ের জন্য পান কিনতে বাসা থেকে বেরিয়েছিল। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে সিএমসিএইচে নেয়া হয়, পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অবস্থার আরো অবনতি হলে তাকে পুনরায় সিএমসিএইচে আনা হয়। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, রেশমি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী এবং পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট।



