শাহরাস্তি (চাঁদপুর) সংবাদদাতা
চাঁদপুরের শাহরাস্তির আয়নাতলীতে জনতার হাতে আটক এক মাদককারবারির মুঠোফোনে পুলিশের কয়েকজন সদস্যের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ও অর্থ লেনদেনের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়ার দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
গত মঙ্গলবার আয়নাতলী এলাকা মাদকমুক্ত করার দাবিতে এলাকাবাসী চিহ্নিত মাদককারবারি মিজানুর রহমানকে আটক করে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যান। পরে তার মুঠোফোন থেকে পুলিশের কয়েকজন সদস্যের সাথে হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথনের তথ্য পাওয়ার কথা জানানো হয়। ঘটনায় যুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তের মাধ্যমে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের দাবি, চ্যাটে শাহরাস্তি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ হোসেন, এসআই মিঠু দাস, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সহিদুল্লাহ, এএসআই এরশাদ মিয়া, এসআই রফিকুল ইসলাম ও পুলিশ সদস্য শরিফুল ইসলামের নাম রয়েছে। বার্তাগুলোয় বিকাশে ১০ হাজার ও ১০ হাজার ২০০ টাকা পাঠানো এবং ‘আগামীকালকের মধ্যে ৫০ শেষ করবি’ এমন কথার উল্লেখ পাওয়া গেছে। তবে এসব চ্যাটের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
আটক মিজানুর দীর্ঘদিন ধরে মাদককারবারে জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানায় এলাকাবাসী। আয়নাতলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জোবায়েদ কবির বাহাদুর জানান, এর আগেও মিজানুরকে আটক করে সেনাবাহিনীর হাতে দেয়া হয়েছিল; কিন্তু তিনি বারবার বের হয়ে পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন।
এ বিষয়ে শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান বলেন, অভিযোগের বিষয়গুলো সম্পর্কে আমি অবগত নই। কোনো পুলিশ সদস্যের মাদককারবারির সাথে সম্পর্ক থাকা উচিত নয়। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।



