ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতা
পাবনার ঈশ্বরদীতে আদালতের রায় ও প্রশাসনের মাধ্যমে দোকান ঘর বুঝে পাওয়ার পরও আবার সেটিতে তালা লাগানোর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় জিডি করার পাশাপাশি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী।
গত সোমবার বিকেলে শহরের থানাপাড়া এলাকায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ঈশ্বরদী পৌর মহিলা দলের সভানেত্রী রোকেয়া সুলতানা। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তার স্বামীর পৈতৃকসূত্রে খতিয়ান নং-২১ এবং সংশোধিত দাগ নং-১৫৪ এর আওতাধীন ০.০৯৬ শতাংশ জমির মালিকানা ছিল। ওই সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলার পর ২০১১ সালে পাবনা যুগ্ম জেলা জজ আদালত তার পক্ষে রায় দেন। তিনি দাবি করেন, আদালতের রায় থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে তার দোকান ঘর অবৈধ ভাবে দখল করে রাখা হয়। পরে দোকান ঘর বুঝে পাওয়ার জন্য উচ্ছেদ মামলা দায়ের করলে চলতি বছরের ১৭ মে আদালত আবারো তার পক্ষে রায় দেন।
রোকেয়া সুলতানা বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ১৭ মে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া ঢাকঢোল পিটিয়ে এবং লাল পতাকা টাঙ্গিয়ে দিয়ে সম্পন্ন করে দোকান ঘর তাকে বুঝিয়ে দেন। এরপর তিনি সেখানে সংস্কার কাজ শুরু করেন। আমি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত, আমার স্বামী সাহান মণ্ডল একজন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। এ জন্য কি আমার দোকান ঘর দখল হবে। আদালতের রায় আমার পক্ষে থাকার পরও কেন আমার দোকান ফিরিয়ে পাবো না।
রোকেয়া সুলতানা অভিযোগ, গত ৭ জুন বিকেলে আনারকলি, ডা: আনোয়ার হোসেন, আওয়াল কবির, শিশিরসহ কয়েকজন ব্যক্তি এসে সংস্কার কাজ বন্ধ করে দেন এবং দোকান ঘরে তালা ঝুলিয়ে দেন।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ওসি মো: আসাদুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



