গ্রাম পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরো কার্যকর করা এবং নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করতে গ্রাম আদালতের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা শক্তিশালীকরণ ও গ্রাম পুলিশে নারী সদস্য নিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার সচিবালয়ে টহরঃবফ ঘধঃরড়হং উবাবষড়ঢ়সবহঃ চৎড়মৎধসসব (টঘউচ)-এর প্রতিনিধি দলের সাথে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে ইউএনডিপির ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ সোনালি দায়ারতেœ-সহ চার সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে গ্রাম আদালত প্রকল্পের বর্তমান কার্যক্রম, অগ্রগতি এবং এর প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় গ্রামীণ জনগণের জন্য সহজ, দ্রুত ও কম খরচে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালতের ভূমিকা আরো শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।
মন্ত্রী বলেন, গ্রাম আদালত এ অঞ্চলে শতবর্ষ ধরে গ্রামীণ বিরোধ নিষ্পত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তিনি আরো বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে ছোটোখাটো বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি হলে আদালতের ওপর চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষও সহজে ন্যায়বিচার পাবে।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। এ সময় মন্ত্রী গ্রাম পুলিশে নারী সদস্য নিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, নারীর সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পেলে স্থানীয় সরকারের কার্যক্রম আরো কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব হবে। পাশাপাশি নারী গ্রাম পুলিশ সদস্যরা নারী ও শিশু-সংক্রান্ত বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর কারিগরি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বৈঠকে গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, স্থানীয় পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ সরকার ও ইউএনডিপির মধ্যে সহযোগিতা আরো জোরদার করার বিষয়ে উভয়পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো: শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তথ্য বিবরণী।



