প্রকাশ পেল সুমী শারমীনের কণ্ঠে ‘রোদ্দুর কোলাহল’

Printed Edition
প্রকাশ পেল সুমী শারমীনের কণ্ঠে ‘রোদ্দুর কোলাহল’
প্রকাশ পেল সুমী শারমীনের কণ্ঠে ‘রোদ্দুর কোলাহল’

বিনোদন প্রতিবেদক

শ্রোতাপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী সুমী শারমীনের কণ্ঠে নতুন মৌলিক গান ‘রোদ্দুর কোলাহল’ এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। গানটির কথা লিখেছেন সুমী শারমীন নিজেই। এর আগেও তিনি অনেক গান লিখেছেন। রোদ্দুর কোলাহল গানটির সুর সঙ্গীত এবং মিউজিক ভিডিও নির্দেশনা দিয়েছেন শান সায়েক। গানটি প্রকাশের পর শ্রোতা দর্শকের কাছ থেকে বেশ সাড়া পাচ্ছেন সুমী শারমীন। এর আগেও সুমীর বেশ কিছু মৌলিক গান প্রকাশিত হয়েছে। তবে অল্প সময়ের মধ্যে তার প্রকাশিত কোনো মৌলিক গান এত দ্রুত শ্রোতা দর্শকের মধ্যে সাড়া ফেলেছে খুব কম। সেক্ষেত্রে ‘রোদ্দুর কোলাহল’ দারুণ সাড়া ফেলেছে। সুমীর কাছের মানুষজনও গানটি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। গানটি সুমী যতটা ভালো গেয়েছেন গানটির মিউজিক ভিডিওতেও তিনি বেশ সাবলীল ছিলেন। বাংলাদেশের কিংবদন্তি সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক ফোয়াদ নাসের বাবুও সুমীর গাওয়া এই গানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। সুমী শারমীন বলেন, ‘শান সায়েক ভাইয়ের সুরে অন্য রকম মুন্সিয়ানা আমাকে সবসময়ই আপ্লুত করে। হঠাৎ একদিন অনেক রাতে ফোন করে বললেন, একটি গান লিখে দেন, মাথায় সুর এসেছে। আমি চার লাইন লিখে দেয়ার পর ভাইয়া ফোনের ওপাশ থেকে সুর করে শোনান। তারপর একদিন বললেন, আপা ভয়েসটা দিয়ে দেন। দিয়ে দিলাম ভয়েজ; কিন্তু কি গাইলাম জানি না। পুরো কম্পোজিশন নিয়ে কথা বলার ধৃষ্টতা আমার নেই। রোদ্দুর কোলাহল গানটি মাত্র তিন দিনেই ১০ হাজার ভিউ পার করল। আলহামদুলিল্লাহ। সংখ্যাট ছোট-বড় যাই হোক না কেন, আমার জন্য অনেক সম্মানের। কারণ ভালো গানের কদর আছে, এই বিশ্বাসটুকু নিয়ে গান করতাম। আজ আমার বিশ্বাসের জয় হয়েছে। সে জন্য আমি আপ্লুত। আন্তরিক ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা আমার গানের নিয়মিত শ্রোতাদের। ধন্যবাদ শান সায়েক ভাইকে আমাকে এভাবে অনুপ্রাণিত করার জন্য।’ প্রসঙ্গত, সুমী শারমীনের রোদ্দুর কোলাহল গানটি মিউজিক আলফা ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে। সুমী শারমীনের উল্লেখযোগ্য গান হচ্ছে- ‘পাশ কেটে যেতে পারো’, ‘চলো বেঁচে থাকি’, ‘ হার মানা হার’, ‘প্রিয় ডাক নাম’ ইত্যাদি। সুমী শারমীন একজন নিয়মিত লেখকও বটে। বই লিখতে লিখতেই তিনি গান লেখায় নিয়মিত হয়ে উঠেছেন। ২০২৩ সালে সুমী বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনে গীতিকার হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। সুমী সাধারণত নজরুল সঙ্গীত, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত ও আধুনিক গান গাইতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।