স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিতে টানা তৃতীয় দিনের মত অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি প্রধান সমন্বয়ক প্রিন্সিপাল মো: সেলিম মিয়ার সভাপতিত্বে পালিত হয়। তিনি বলেন, আমাদের বরাদ্দের টাকা অন্য খাতে খরচ হবে এটা অন্যায়। তিনি আগামীকাল ১০ জুনের মধ্যে কারিগরী ও মাদরাসা বিভাগের এমপিও আবেদনের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হলে বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচির ঘোষণা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাসদের সহ-সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন বলেন, নয় লাখ কোটি টাকারও বেশি বাজেটে নন এমপিও শিক্ষকদের জন্য তিন/চার শত কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া কি খুব কঠিন? আসলে সদিচ্ছার অভাব। তিনি সরকারের কাছে অবিলম্বে দেশের সব নন এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভূক্তির আহ্বান জানান। সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মো: নাজমুস সাহাদাত আজাদী বলেন আমরা ২০-২৫ বছর যাবত নন এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৈষম্যের শিকার হয়েছি। বর্তমান সরকারের কাছে আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি এই বৈষম্য দূর করে দ্রুত সময়ে এমপিওভুক্ত করা হোক।
সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মো: মনিমুল হক বলেন, আমরা বিএনপি সমর্থক হওয়ার কারণেই দীর্ঘ দিন ধরে বৈষম্যের শিকার হয়েছি। এখন সময় এসেছে সব নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একযোগে এমপিওভুক্ত করতে হবে। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধাণ করতে চাই। সমন্বয়ক প্রভাষক মো: মোবারক হোসেন বলেন আমাদের দীর্ঘ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে বিগত সরকার এমপিওভুক্তির আবেদন গ্রহণ করে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়ারের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে একটি তালিকা তৈরি করেছিল, কাজেই কোনো সমস্যা নেই, এমপিও ঘোষণা দিন পাশাপাশি কারিগরী ও মাদরাসা বিভাগের এমপিও আবেদনের গণবিজ্ঞপ্তি দেয়ার অনুরোধ করছি।
সমন্বয়ক অধ্যক্ষ বাকী বিল্লাহ বলেন আমরা ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে চাকরি করে আসছি কিন্তু কোনো বেতন-ভাতা পাই না।
সমন্বয়ক জাহিদ হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- সমন্বয়ক অধ্যক্ষ আবতাবুল আলম, সমন্বয়ক সুপার ফরহাদ হোসেন বাবুল, সমন্বয়ক প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান বাবুল, প্রভাষক মো: গোলাম মোস্তফা, সমন্বয়ক প্রভাষক হাবিবুল্লাহ সহ সারা দেশ থেকে আসা জেলা ও উপজেলার নেতারা। বিজ্ঞপ্তি।



