নয়া দিগন্ত ডেস্ক
জাতিসঙ্ঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এক যৌথ সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, গাজার মানব উন্নয়ন প্রায় ৭৭ বছর পিছিয়ে গেছে। আর গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, যুদ্ধবিধ্বস্ত ও অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় অন্তত ১৬ হাজার ৫০০ মানুষের জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন। কিন্তু ইসরাইল এসব ফিলিস্তিনিদের চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বিদেশে যাওয়ায় বাধা দিচ্ছে।
আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানায়, এই দীর্ঘ বিলম্ব রোগীদের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। একই সাথে বলা হয়, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি অভিযানে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৩ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
কায়রো বৈঠকে যুদ্ধবিরতি নিয়ে ‘গ্রহণযোগ্য অগ্রগতি’ দেখছে হামাস
এদিকে মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর আলোচনায় গাজা যুদ্ধবিরতির অমীমাংসিত বিষয়গুলোতে ‘গ্রহণযোগ্য সমঝোতার ভিত্তি’ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস। হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বলেন, মিসর, কাতার ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় উপস্থাপিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি হামাস ও অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী ইতিবাচক ও নমনীয় অবস্থান নিয়েছে। তবে তিনি আলোচনায় কী ধরনের সমঝোতা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি। কাসেমের দাবি, গাজায় চলমান হত্যাকাণ্ড বন্ধ এবং যুদ্ধের অবসান ঘটানোর দায়িত্ব এখন ইসরাইল ও মধ্যস্থতাকারীদের ওপর নির্ভর করছে।



