নয়া দিগন্ত ডেস্ক
টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বজ্রপাতে বাবা ও মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া বরগুনা সদর ও পটুয়াখালীর দুমকীতে বজ্রপাতে মারা গেছেন দুই কৃষক।
দেলদুয়ার (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা জানান, টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বজ্রপাতে বাবা-মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার ফাজিলহাটি ইউনিয়নের শাহদারিপাড়া গ্রামে ঘটেছে ঘটনাটি। নিহতরা হলেন, উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাদারকোল গ্রামের মো: আয়নাল হকের ছেলে খালিদুল ইসলাম (৩০) ও খালিদুলের মেয়ে খাদিজা আক্তার (১০)। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, খালিদুল সামাজিক সেবা সংগঠনের (এনজিও) গাজীপুরের মীরের বাজার শাখায় ফিল্ড অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিল। শুক্রবার খালিদুল স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে শশুরবাড়ী ফাজিলহাটি ইউনিয়নের পুটিয়াজানী গ্রামে যান। দুপুরে পাশর্^বর্তী গ্রাম মেরুয়াঘোনা গ্রামে আরেক আত্মীয়বাড়ী দাওয়াত খাওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রাপথে শাহধারীপাড়া নামক স্থানে পৌঁছে অটো রিকশা থেকে নামার সময় বজ্রপাত হলে বাবা ও মেয়ের মৃত্যু হয়।
বরগুনা প্রতিনিধি জানান, বরগুনা সদরের বরগুনা-পূরাকাটা মূল সড়কের পাশে মস্তুরটোনা এলাকায় বজ্রপাতে মহিউদ্দিন (৪০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে এ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে। নিহত কৃষক মহিউদ্দিন বরগুনা সদর উপজেলার দক্ষিণ ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের কদমতলা বাজার এলাকার বাসিন্দা।
বরগুনা সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আলীম বলেন, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বজ্রপাতে নিহত কৃষক মহিউদ্দিনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
দুমকি (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা জানান, পটুয়াখালীর দুমকিতে আকস্মিক বজ্রপাতে মজিবর সরদার (৫৮) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মজিবর রহমান লেবুখালী গ্রামের মৃত হাতেম সরদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় বাড়ির পশ্চিম পাশে মাঠে থাকা গরু আনতে গেলে হঠাৎ বজ্রাঘাতে গুরুতর আহত হন মজিবর। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার উদ্যোগ নিলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন বলেন, বজ্রপাতে একজনের মৃত্যুর বিষয়টি পুলিশ অবগত হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে।



