ক্রীড়া প্রতিবেদক
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই পদত্যাগ করলেন রাজশাহী বিভাগ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া মীর শাকরুল আলম সীমান্ত। বিসিবির নবনির্বাচিত সভাপতি তামিম ইকবালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন শাকরুল। পদত্যাগ করায় পরিচালক বিসিবির পরিচালক সংখ্যা এখন ২৪।
পদত্যাগের ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচনে রাজশাহী অঞ্চল থেকে কাউন্সিলর হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক নির্বাচিত হয়েছি। বর্তমানে আমার বাবা সরকারের প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় পারিবারিক সব ব্যবসার দায়িত্ব আমার ওপর পড়ে। ফলে এ রকম একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠানে যথাযথ ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে না। ব্যবসায়িক ব্যস্ততার কারণে পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না।’
‘সামনে পরিচয় হয়ে যাবে’
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) মনোনয়নে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হয়েছেন দুই নতুন পরিচালক শেখ মো: রুহুল আমিন ও মো: সরফরাজ আহমেদ। তবে তাদের নাম ঘোষণার পর থেকেই ক্রীড়াঙ্গনে শুরু হয়েছে আলোচনা। ক্রিকেট প্রশাসন তো বটেই, অনেক ক্রীড়া সংগঠক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিও তাদের পরিচয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, বিসিবির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এই দুই পরিচালক কারা এবং কী পরিচয়ে তারা বোর্ডে জায়গা পেলেন? তামিম বলেছিলেন, ‘যারা নির্বাচিত হয়েছেন, অনেকের সাথে আজকে (গতকাল) প্রথমবারের মতো পরিচয়।’
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মনোনীত দুই পরিচালক সম্পর্কে খোঁজ নিয়েও অভিন্ন কিছু পাওয়া গেল না। শেখ মো: রুহুল আমিনের বাড়ি বাগেরহাট। বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত এবং একজন ব্যবসায়ী। ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে তেমন অভিজ্ঞতা নেই। অন্য পরিচালক সরফরাজ আহমেদের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায়। তিনিও বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত। সংগঠক হিসেবে কিছুটা পরিচয় আছে। আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল ট্রাস্টের কো-অর্ডিনেটর হিসেবে বেশ কিছু টুর্নামেন্টের সাথে সম্পৃক্ত তিনি। এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে প্রথম বিভাগ ক্রিকেট খেলেছেন।
শুধু তামিম ইকবাল নয়, যারা পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন তারাও অনেকে এনএসসির মনোনীত দুই পরিচালককে চেনেন না। নাম প্রকাশে এক পরিচালক বললেন, ‘সামনে পরিচয় হয়ে যাবে- তখন জানা যাবে।’



