হাঁপানির লক্ষণ ও চিকিৎসা

Printed Edition

হাঁপানি শ্বাসনালীর দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ। বিশ্বজুড়ে ২৬ কোটির বেশি মানুষ এতে আক্রান্ত। প্রতি বছর সাড়ে চার লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয় এ রোগের কারণে। এসব মৃত্যুর ৮০ শতাংশের বেশি নি¤œ ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোয় ঘটে। বাংলাদেশে ৭০ থেকে ৮০ লাখ মানুষ হাঁপানির সমস্যায় ভুগছেন। ১ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে আক্রান্ত হওয়ার হার বেশি। শহরের তুলনার গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এর প্রাদুর্ভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়।

হাঁপানির মূল উপসর্গগুলো হলো শ্বাসকষ্ট, কাশি, বুকে বাঁশির মতো শব্দ হওয়া, বুকে চাপ অনুভূত হওয়া বা দম বন্ধ ভাব। বছরে বেশ কয়েকবার, বিশেষ করে অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে এলেই এসব উপসর্গ শুরু হয়ে যায়।

হাঁপানির রোগীরা বিভিন্ন পদার্থের প্রতি অতি সংবেদনশীল। সেসবের সংস্পর্শে তাদের উপসর্গ বাড়ে। হাঁপানিতে আক্রান্ত হলে বুকের এক্স-রে করানো উচিত। রক্তে অ্যালার্জির মাত্রা, ফেনো, স্পাইরোমেট্রি বা শ্বাসের পরীক্ষা ইত্যাদি করাতে হতে পারে।

হাঁপানির চিকিৎসা জীবনব্যাপী চলবে, এটি কখনো পুরোপুরি সেরে যায় না।

এটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। হাঁপানির ওষুধ প্রধানত দুই প্রকার

১. উপশমকারী, যেমন সালবিউটামল।

২. প্রতিরোধকারী, যেমন লিউকোট্রিন অ্যান্টাগনিস্ট, স্টেরয়েড ইনহেলার, দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসনালী সঙ্কোচনরোধক ইনহেলার, ডক্সিসাইক্লিন ইত্যাদি।

এ ছাড়া রোগীকে এ রোগের সাথে জীবনযাপনে অভ্যস্ত হতে শিখতে হবে। ইন্টারনেট