চট্টগ্রাম ব্যুরো
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে করপোরেট মিডিয়ার সংবাদ নিয়ে বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্কট ক্রমেই বাড়ছে। এ কারণেই বিবিসির মতো মৌলিক সংবাদমাধ্যমগুলোও ‘মোজো’ (মোবাইল জার্নালিজম) চালু করেছে। তারা বুঝেছে, সুপরিশীলিত সংবাদ থেকেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কাঁচা কিন্তু বাস্তব ভিডিও বা পোস্ট মানুষের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মোবাইল ও অন্যান্য নন কনভেশনাল মিডিয়ার কার্যকর ভূমিকার দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন- প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নির্ভর আধুনিক তথ্যপ্রবাহকে গ্রহণে আমরা এখনো মানসিকভাবে তৈরি নই। একধরনের পুরনো সেকেলে গণ্ডিতে আবদ্ধ হয়ে আছি। আমরা পত্রিকা পড়ব। কিন্তু নতুন প্রজন্মের সংবাদমাধ্যমকে গ্রহণ করাটাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
গতকাল চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে ‘মুক্ত গণমাধ্যম ও আগামীর চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাসসের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান মোহাম্মদ শাহ নওয়াজের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলী আর রাজী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্র্রফেসর এস এম নসরুল কদির, মুখ্য আলোচক ছিলেন চবি যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শহীদুল হক।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের স্থায়ী সদস্য গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, চবি যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সায়মা আলম, এ্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সেলিম মো: জানে আলম, অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান, সাংবাদিক সালেহ নোমান, মুস্তফা নঈম, রফিকুল ইসলাম সেলিম, সোহাগ কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।



