সৌরবিদ্যুৎ বাজারে প্রবেশ করতে যাচ্ছে ম্যাক্স গ্রুপ

Printed Edition

দেশের সৌরবিদ্যুৎ খাতে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে ম্যাক্স গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ। এরই মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ-সংশ্লিষ্ট প্রায় ২০ কোটি টাকার সামগ্রী আমদানির অর্ডার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গ্রুপটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর। একই সাথে বাংলাদেশে নিজস্ব সৌরবিদ্যুৎ পণ্য ও সেবা বাজারজাতের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

ঢাকায় চীনা সৌর প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাস্ট্রোনার্জির ‘ওয়ার্ল্ড ট্যুর ২০২৬ বাংলাদেশ রোডশো’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর। তিনি বলেন, সরকার ইউটিলিটি-স্কেল সৌরবিদ্যুৎ, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ও সৌর সেচে গুরুত্ব দেয়ায় বাংলাদেশে এ খাতের সম্ভাবনা বাড়ছে।

ম্যাক্স গ্রুপের একটি কারখানায় ইতোমধ্যে প্রায় ২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা স্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সরকারি লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করে তিনি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের এ খাতে গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান।

গোলাম মোহাম্মদ আলমগীর চীনের নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতিযোগীর বদলে সম্ভাব্য অংশীদার হিসেবে দেখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ম্যাক্স গ্রুপ ও ব্লু কার্বন চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে যৌথভাবে বাংলাদেশের বাজারে সৌরবিদ্যুৎ পণ্য ও সেবা নিয়ে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ বলেন, বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি, আমদানিনির্ভর জ্বালানি ও জলবায়ু ঝুঁকির কারণে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বাংলাদেশের জন্য কৌশলগত প্রয়োজন হয়ে উঠেছে। সৌরবিদ্যুৎ, ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি সংরক্ষণ ব্যবস্থা জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ভূমিকা রাখতে পারে।

রোডশোতে অ্যাস্ট্রোনার্জির নতুন ‘এন৭ প্রো’ সৌর মডিউল বাংলাদেশের বাজারে উদ্বোধন করা হয়। এতে শিল্প খাতের প্রতিনিধি, বিনিয়োগকারী, পরিবেশক ও কৌশলগত অংশীদাররা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও প্রতিনিধিকে পুরস্কৃত করা হয়। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে অ্যাস্ট্রোনার্জি ও স্থানীয় অংশীদারদের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়। বিজ্ঞপ্তি।