ক্রীড়া প্রতিবেদক যুক্তরাষ্ট্র থেকে
ওদের বলা হয় বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্ম। পোস্টের নিচে থিবো কর্তোয়া, মধ্যমাঠে কেভিন ডি ব্রুইনা আর ফরোয়ার্ড লাইনে রোমেলু লুকাকু। বেলজিয়াম জাতীয় ফুটবল দলের অন্যতম ভরসা তারা। এদের উপস্থিতিতেই ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের সেমিতে খেলেছিল বেলজিয়াম। কাতারে গ্রুপ পর্ব টপকাতে ব্যর্থ হলেও এবার যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত খেলেছিল। ২০১৪ ব্রাজিল বিশ্বকাপেও তারা কোয়ার্টার ফাইনালে গিয়েছিল। এরপর আর্জেন্টিনার কাছে হেরে বিদায়।
এবার বলতে গেলে শেষ বিশ্বকাপ ডি ব্রুইনা, কর্তোয়া ও লুকাকুদের। ক্ল¬াব লেভেলে তাদের শিরোপা আছে; কিন্তু জাতীয় দলে তারা কোনো ট্রফিরই দেখা পেলেন না। জীবনের শেষ চেষ্টাটা তারা করেছিলেন এবারের বিশ্বকাপে। দুই ড্রতে গ্রুপ পর্ব শুরু করলেও পরে একে একে নিউজিল্যান্ড, সেনেগাল ও যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে শেষ আটে আসা। তবে এই কোয়ার্টার ফাইনালে তারা পারলেন না স্পেনের সাথে। ১-২ গোলে হার। এতেই বিদায় নিতে হলো বেলজিয়ামকে।
লুকাকুকে অবশ্য বদলি হিসেবেই নামিয়েছিলেন কোচ রুডি গার্সিয়া। এই বদলি হিসেবে নেমে দলের জয়ে সহায়তাও করেছিলেন লুকাকু। তবে স্পেনের বিপক্ষে ৫৯ মিনিটে নেমেও কিছু করতে পারেননি। এতেই দলের হার ও বিদায় নিশ্চিত হয়। অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ৬৬ মিনিটে মাঠে নেমে ৯৩ মিনিটে গোল করেছিলেন লুকাকু। সেনেগালের বিপক্ষে ৪৫ মিনিটে মাঠে নেমে ৮৬ মিনিটে গোলের দেখা পান। এতে দুই গোলে পিছিয়ে থাকা বেলজিয়াম ম্যাচে ফেরার শক্তি পায়। পরবর্তী সময়ে ৯০ মিনিটে স্কোর দুই-দুই করে অতিরিক্ত সময়ে তিন-দুই-এ জিতে নেয় ম্যাচ।
লুকাকু নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৫ মিনিটে মাঠে নেমে ৮৬ মিনিটেই গোল করেন। ডি ব্রুইনাও সে খেলায় জালের সন্ধান পেয়েছিলেন। দল জিতেছিল পাঁচ-এক-এ। তবে এখন সেমির আগে বিদায়ে সবই রয়ে গেল কষ্টের স্মৃতি হিসেবে।



