নিজস্ব প্রতিবেদক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত এনসিপির ছয় সংসদ সদস্য গতকাল মঙ্গলবার শপথ নিয়েছেন। সংসদ ভবনে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। এমপি হিসেবে শপথ নেয়ার পর সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নেন তারা।
একই দিন সকালে বিএনপি জোট থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা এমপি হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি। বিএনপির এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে জামায়াতের এমপিদের শপথ নিয়ে শুরুতে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। পরে বৈঠক করে তারা শপথ নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এ পরিস্থিতির মধ্যেই এনসিপির এমপিরা দুই দফায় শপথ সম্পন্ন করেন।
শপথ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিয়ে বিএনপি জনআকাক্সক্ষাকে ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি’ দেখিয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। এতে আইনি সঙ্কট ও জটিলতা তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, সংবিধান বাস্তবায়ন আদেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে- গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটে রায় এলে সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে হবে। বিএনপি যে ব্যাখ্যা দিচ্ছে তা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে তাদের সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়া উচিত।
এ সময় অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ড. খলিলুর রহমান মন্ত্রী হলে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে এবং এতে প্রমাণ হবে নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ হয়েছে।



