নাঈম হাসানকে মারধর করা পুলিশ প্রত্যাহার

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় খুলশী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) সহ তিনজনকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় এসআইসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

নাঈম হাসান চট্টগ্রামের পুলিশের হাতে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়ায় এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। এক বিবৃতিতে বিসিবি জানায়, জাতীয় দলের একজন ক্রিকেটারের সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের এমন আচরণের খবর পেয়ে তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বোর্ড এই অগ্রহণযোগ্য ও অনভিপ্রেত আচরণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে। একজন জাতীয় ক্রীড়াবিদের সাথে এমন আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক।’

অন্য দিকে কোয়াবও ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে জড়িত প্রত্যেক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘দেশের যেকোনো নাগরিকের জন্যই এ ধরনের ঘটনা অগ্রহণযোগ্য।’

সতীর্থের সাথে এ ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় নিন্দা জানিয়েছেন মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস ও তাসকিন আহমেদও। খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল ও আরেক কনস্টেবলকে তাৎক্ষণিকভাবে ক্লোজড করা হয়েছে।

সামনে টেস্ট সিরিজ থাকায় নাঈমের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে গেছেন বিসিবির মেডিক্যাল টিমের দুই সদস্য, যার মধ্যে একজন ডাক্তার এবং একজন ফিজিও রয়েছেন। সেখানে পৌঁছে তারা নাঈমের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেবেন এবং পর্যবেক্ষণ করবেন।