একপক্ষের বর্জন

বিএফএ নির্বাচন আজ

Printed Edition

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএ) ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নির্বাচন আজ। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে একজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন, অন্য দিকে প্রথম ভাইস-চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সেই আহ্বানকে বিভ্রান্তিকর উল্লেখ করে সদস্যদের ভোটদানে অংশ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রথম ভাইস-চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো: মামুনুর রশিদ খান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, বিএফএর নির্বাচন একটি সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রণীত বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা-২০২৫ অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত তফসিল অনুসারে নির্বাচন পরিচালনা করছে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে আপত্তি ও অভিযোগ জানানোর সুযোগ ছিল এবং এখনো রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, নির্বাচনসংক্রান্ত বিষয়ে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করেননি বা খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে নির্বাচন আইনানুগভাবে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছে এবং এর বৈধতা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির সুযোগ নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মামুনুর রশিদ খান বলেন, কোনো অভিযোগ থাকলে তা নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করাই গণতান্ত্রিক রীতি। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে নির্বাচন বর্জনের আহ্বান সদস্যদের ভোটাধিকার প্রয়োগকে নিরুৎসাহিত করতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বিএফএর সব ভোটার ও সদস্যকে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানান।

অন্য দিকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোর্শেদ মিল্টন পৃথক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ, হতাশা ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটার তালিকা প্রণয়ন, আপত্তি নিষ্পত্তি এবং নির্বাচন পরিচালনার বিভিন্ন ধাপে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়নি। এসব কারণে নির্বাচন একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়া হিসেবে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

বর্তমান প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত নির্বাচন বিএফএর সদস্যদের প্রকৃত ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাবে না উল্লেখ করে তিনি সংগঠনের সব ভোটার ও সদস্যকে নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত, প্রয়োজনে নির্বাচন স্থগিত এবং সব পক্ষের আস্থা অর্জনের পর নতুন তফসিল ঘোষণার আহ্বান জানান।