রংপুরে আ’লীগ নেত্রী বিউটি পলাতক থেকেও তুলেছেন ৬ মাসের বেতন

Printed Edition

রংপুর ব্যুরো

  • ১৯ মাস বিনাবেতনে ছুটিতে
  • দিয়েছেন ধর্ষণ চেষ্টার মামলা

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ভাংনী আদমদিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসার ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী যুব মহিলা লীগের রংপুর মহানগর কমিটির সভানেত্রী শাহনাজ বিউটিকে ঘিরে একের পর এক অনিয়ম, প্রশাসনিক বিতর্ক ও আইনি জটিলতার অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, সাময়িক বরখাস্ত এবং দীর্ঘদিন পলাতক ও কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার পরও তিনি ছয় মাসের বেতন উত্তোলন করেছেন। একই সাথে প্রায় ১৯ মাস ধরে তাকে হাজিরা খাতা ও বেতনশিটে ‘বিনাবেতনের ছুটিতে’ দেখানো হয়েছে, যদিও সংশ্লিষ্ট প্রবিধানে এমন ছুটির সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অনুসন্ধানে আরো উঠে এসেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত দায়িত্ব পালন না করা, নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন, শিক্ষাগত সনদে অসঙ্গতির অভিযোগ এবং অধ্যক্ষসহ কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানটিতে দীর্ঘদিন ধরে অস্থিরতা বিরাজ করছে। অন্য দিকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, তাদের জ্ঞাতসারেই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনের জন্য ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দফতর, আদালত এবং সংশ্লিষ্ট মাদরাসার বিভিন্ন নথি পর্যালোচনা করা হয়েছে। এসব নথিতে শাহনাজ বিউটির নিয়োগ, চাকরির অবস্থা, বেতনভাতা এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তসংক্রান্ত একাধিক তথ্য উঠে এসেছে। নথি অনুযায়ী, শাহনাজ বিউটি ২০০৩ সালের ১ মার্চ ভাংনী আদমদিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসায় ইংরেজি প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। তার নিয়োগের আগে ২০০২ সালের আগস্টে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অনার্সসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং নির্ধারিত ফলাফলের শর্ত উল্লেখ ছিল। তবে অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়োগ পরীক্ষায় মাত্র দু’জন প্রার্থী অংশ নেন, যদিও তৎকালীন নীতিমালায় প্রতিযোগিতামূলক নিয়োগের জন্য একাধিক প্রার্থীর অংশগ্রহণের বিষয়টি গুরুত্ব পেত। এ ছাড়া শাহনাজ বিউটির দাখিল করা শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। নথিতে উল্লেখ আছে, তার স্নাতকোত্তর পরীক্ষার ফল তৃতীয় বিভাগ হওয়ায় তিনি তৎকালীন যোগ্যতার শর্ত পূরণ করেছিলেন কি না, তা নিয়েও বিতর্ক রয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০০৮ সালের পর তিনি সক্রিয়ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং পরবর্তী সময়ে যুব মহিলা লীগের রংপুর মহানগর কমিটির নেতৃত্বে আসেন। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের পর থেকে তিনি নিয়মিত মাদরাসায় ক্লাস নিতেন না। বরং বেতন উত্তোলনের সময় প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী বা দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা তার কাছে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে স্বাক্ষর নিয়ে আসতেন। ফলে ইংরেজি বিভাগের পাঠদান ব্যাহত হয় এবং শিক্ষার্থীদের ফলাফলেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এ সময় তার বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে ২০২৩ সালে নতুন অধ্যক্ষ দায়িত্ব গ্রহণের পর। ওই বছর শিক্ষার্থীরা লিখিতভাবে অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক নিয়মিত ক্লাস না নেয়ায় তাদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। অভিযোগের ভিত্তিতে গভর্নিং বডি প্রথমে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে দুটি পৃথক কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হলেও শাহনাজ বিউটির পক্ষ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। এরপর বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

তদন্ত কমিটি নিয়োগসংক্রান্ত অনিয়ম, শিক্ষাগত সনদে অসঙ্গতি, দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিতি এবং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডসহ আটটি বিষয় উল্লেখ করে তাকে সাময়িক বরখাস্তের সুপারিশ করে। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট গভর্নিং বডি তাকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়। পরদিন দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি আর কর্মস্থলে ফিরে আসেননি বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ দিকে জুলাই-আগস্টের রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাহনাজ বিউটির বিরুদ্ধে দু’টি মামলার তথ্যও নথিতে পাওয়া গেছে। একটি মামলায় তাকে হামলা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে এবং অন্যটিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসামি করা হয়েছে। তবে এসব মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া এখনো চলমান।

এরই মধ্যে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে শাহনাজ বিউটি এক দিনের জন্য মাদরাসায় আসেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। সেদিন তিনি হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর না করেই চলে যাওয়ার সময় অধ্যক্ষ ও কয়েকজন শিক্ষক তাকে নিয়মিত ক্লাস নেয়ার অনুরোধ জানান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগি¦তণ্ডা হয়। পরে তিনি অধ্যক্ষসহ কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক অধ্যক্ষসহ কয়েকজনকে সাক্ষী করা হয়। পরবর্তীতে মামলার তদন্ত শেষে অভিযোগপত্রও দাখিল করা হয়েছে বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, সাময়িক বরখাস্ত ও দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার পরও ২০২৫ সালের ৮ জানুয়ারি শাহনাজ বিউটির নামে ছয় মাসের বেতন উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হয়। একই সাথে ২০২৪ সালের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে বেতনশিট ও হাজিরা খাতায় তাকে ‘বিনাবেতনের ছুটিতে’ দেখানো হয়েছে। তবে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বেসরকারি মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলি-২০২৩ অনুযায়ী চিকিৎসা বা শিক্ষাসংক্রান্ত নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্র ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি ‘বিনাবেতনের ছুটি’ অনুমোদনের বিধান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট নথিতে শাহনাজ বিউটির ক্ষেত্রে সেই বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অনুসন্ধানে আরো উঠে এসেছে, ২০২৩ সালে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির আবেদন করার সময় তার শিক্ষাগত সনদ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, তিনি যে কলেজ থেকে অনার্স পাসের সনদ দাখিল করেছিলেন, সেই প্রতিষ্ঠানের পরিচয় এবং সনদের তথ্য নিয়ে অসঙ্গতি পাওয়া যায়। এ ছাড়া অনার্স ও মাস্টার্সের শিক্ষাবর্ষ এবং পরীক্ষার সময়সূচির মধ্যেও অসামঞ্জস্যের অভিযোগ রয়েছে। নথিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়োগ পরীক্ষার পরের তারিখে ইস্যু হওয়া সাময়িক সনদও তিনি দাখিল করেছিলেন। এসব বিষয় তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হলেও অভিযোগগুলোর বিষয়ে আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো জানা যায়নি।

বর্তমান অধ্যক্ষ আবু ছালেহ মোহাম্মদ জাকারিয়ার অভিযোগ, সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্তের পর থেকেই শাহনাজ বিউটি তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। পরে ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে তাকে চাপে রাখার চেষ্টা করা হয়। একই সময়ে সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আকরামুল ইসলামকে কেন্দ্র করেও প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিকে বেতনশিট নিয়ে দ্বৈত অবস্থার সৃষ্টি হয়। এক দিকে অধ্যক্ষ শাহনাজ বিউটির নাম বাদ দিয়ে বেতনশিট দাখিল করেন, অন্য দিকে আকরামুল ইসলাম পৃথক আরেকটি বেতনশিটে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। বিষয়টি হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। পরে আদালতের নির্দেশনা, জেলা প্রশাসনের পদক্ষেপ এবং আইনগত মতামতকে ঘিরে নতুন করে বিতর্কের জন্ম হয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ফলে সাময়িক বরখাস্ত থাকা অবস্থাতেই তিনি জুলাই থেকে ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত ছয় মাসের বেতন পান।

এ দিকে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে দাখিল করা একাধিক আবেদন এবং তদন্তের পর তিন সদস্যের একটি কমিটি প্রতিবেদন দেয়। প্রতিবেদনে অধ্যক্ষ আবু ছালেহ মোহাম্মদ জাকারিয়ার দাখিল করা অ্যাডহক কমিটি অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়। একই সাথে মোহাম্মদ আকরামুল ইসলামকে নিজেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দাবি না করার জন্য সতর্ক করার সুপারিশও করা হয়। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তী সময়ে সেই তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ পুরোপুরি অনুসরণ করা হয়নি।

পরবর্তীকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নতুন করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব প্রদান এবং অ্যাডহক কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিলে তা নিয়েও বিরোধ দেখা দেয়। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বর্তমান অধ্যক্ষ লিখিত অভিযোগ এবং পরে আইনি নোটিশ দেন। সর্বশেষ গভর্নিং বডি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটার তালিকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এ প্রেক্ষাপটে আদালত নির্বাচন কার্যক্রমের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন।

বর্তমান অধ্যক্ষ আবু ছালেহ মোহাম্মদ জাকারিয়া দাবি করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি শাহনাজ বিউটিকে নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু তা না করে উল্টো তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তার ভাষ্য, দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার পরও প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে বেতন ও বিভিন্ন সুবিধা নেয়া হয়েছে, যার কারণে প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা ও প্রশাসনিক- উভয় ক্ষেত্রেই সঙ্কটে পড়েছে। তিনি বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

অন্য দিকে সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ আকরামুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, শাহনাজ বিউটির ছয় মাসের বেতন এবং পরবর্তী ছুটির বিষয়গুলো জেলা প্রশাসন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (শিক্ষা) জ্ঞাতসারেই সম্পন্ন হয়েছে। তার দাবি, বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসাসহ অন্যান্য কারণে তাকে ছুটি অনুমোদন দেয়া হয়েছিল এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই সব কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

এ বিষয়ে বর্তমান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) শরিফুল ইসলাম বলেন, শাহনাজ বিউটিকে ছয় মাসের বেতন দেয়ার সিদ্ধান্ত তার দায়িত্বকালে হয়নি। তিনি স্বীকার করেন, দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি তার জানা রয়েছে। তবে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে পরবর্তী সময় পর্যন্ত কিভাবে তাকে ধারাবাহিকভাবে ‘বিনা বেতনের ছুটিতে’ দেখানো হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তার ভাষ্য, দায়িত্ব গ্রহণের পর চিকিৎসাজনিত আবেদনের ভিত্তিতে সীমিত সময়ের জন্য ছুটি অনুমোদন দেয়া হয়েছিল; এর আগের সময়ের বিষয়ে তিনি অবগত নন।

পুরো ঘটনাপ্রবাহে মাদরাসার নিয়োগপ্রক্রিয়া, শিক্ষক উপস্থিতি, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, বেতন অনুমোদন এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নথিতে নানা অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের উল্লেখ থাকলেও এসব বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক শিক্ষাকার্যক্রম ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।