চট্টগ্রাম ব্যুরো
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর ও কাস্টমসের অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানো গেলে মূল্যস্ফীতিও কমে আসবে। বন্দরে অতিরিক্ত ব্যয় এবং কাস্টমস প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা শেষ পর্যন্ত পণ্যের দামের সাথে যুক্ত হয়ে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। তাই এসব খরচ কমানো এখন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। সেজন্য চট্টগ্রাম কাস্টম এবং পোর্টের মধ্যে জয়েন্ট কমিটি হতে যাচ্ছে। উনারা যেকোনো সমস্যা একসাথে সমাধান করবেন। পোর্ট কাস্টমস মিলে আগামী দিনে নতুন ধারা সৃষ্টি হবে। যার মাধ্যমে ব্যবসায়ী, সরকার ও দেশের জনগণ লাভবান হবে। ২০৩৪ সালে আমরা যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির কথা বলছি সেটির পথ সুগম হবে।
গতকাল চট্টগ্রাম বন্দর ভবনে আয়োজিত বন্দর কর্তৃপক্ষ ও চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সাথে সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সাপ্লাই চেইনে বাধা সৃষ্টি হলে খরচ বাড়ে এবং সেই বাড়তি ব্যয় শেষ পর্যন্ত জনগণকেই বহন করতে হয়। বন্দরের খরচ বাড়লে কিংবা কাস্টমস প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত ব্যয় হলে তার প্রভাব সরাসরি দ্রব্যমূল্যের ওপর পড়ে। তাই খরচ কমানো গেলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, এটি আলাদা বিষয়। পোর্ট কে পরিচালনা করবে সেটি ভিন্ন সিদ্ধান্ত হলেও দেশী বা বিদেশী যে-ই পরিচালনা করুক, জনগণ, ব্যবসা, শিল্প ও দেশের অর্থনীতির স্বার্থ রক্ষা করে একই নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।



