পাল্টাপাল্টি মামলায় জোনাইল কলেজের কার্যক্রমে অস্থিরতা

Printed Edition

নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার জোনাইল ডিগ্রি কলেজে শিকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, পাল্টাপাল্টি মামলা ও প্রশাসনিক বিরোধের জেরে শিা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পদোন্নতি, শিা ছুটি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন ধরে চলা বিরোধে শিক-প্রশাসনের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, পদোন্নতির েেত্র জ্যেষ্ঠ শিকদের বাদ দিয়ে জুনিয়রদের নাম প্রস্তাব করা হয়। এ বিষয়ে আপত্তি ওঠায় জেলা শিা অফিস থেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যরে কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়। পরে সংশোধিত প্রস্তাব পাঠানো হলেও একজন জ্যেষ্ঠ প্রভাষকের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক হাবিবুর রহমান অভিযোগ করেন, শিা ছুটি নিয়ে পিএইচডি সম্পন্ন করতে না পারাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে তদন্ত ও মামলা করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ১৬ বছর চাকরি করেও পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরে একাধিক আবেদন করেও প্রতিকার পাননি।

অন্যদিকে ভারপ্রাপ্ত অধ্য এস এম রাজিবুল করিম বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। তিনি জানান, কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচনে মামলার এক অভিযুক্তের স্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়টি অনিচ্ছাকৃত বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বাধ্যতামূলক ছুটিতে থাকা অধ্য আবুল আছর মো: শফিউজ্জামান দাবি করেন, তাকে জোরপূর্বক দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে এবং যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নাটোর জেলা শিা কর্মকর্তা রোস্তুম আলী হেলালী জানান, জ্যেষ্ঠ শিককে বাদ দিয়ে পদোন্নতির প্রস্তাব পাঠানোর ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল। অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে।